Skip to main content

 কুদস ফোর্সের কমাণ্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইসমাঈল ক্বানি আজ একটি লিখিত বার্তায় জানিয়েছে যে, বহির্বিশ্বে অবস্থানরত ইরানের মিত্র গোষ্ঠীর পক্ষ হতে শত্রুপক্ষের জন্য আরো চমক আসতে চলেছে।


ওদিকে U.S. Department of War এর পক্ষ হতে বক্সার অ্যাম্ফিবিয়াস রেডি গ্রূপ, U.S. Marine Corps কে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হতে মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হওয়ার আদেশ দেওয়া হয়েছে। এটি ত্রিপোলি অ্যাম্ফিবিয়াস রেডি গ্রূপের অনুরূপ সমতূল্য শক্তি ধারণ করে।


"পাকিস্তানের কাবুল হামলায় ১৬ই মার্চ তারিখে ব্যাপক বেসামরিক মানুষ হতাহত হয়েছেন। যার সংখ্যা কমপক্ষে শতাধিক। যেখানে সুনির্দিষ্ট সংখ্যাটি এখন পর্যন্ত স্বাধীনভাবে নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি।


এটা সকলের জানা যে, বিগত ২০১৬ সাল হতে Camp Phoenix একটি মাদকাসক্তি নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্র হিসাবে পরিচালিত হয়ে আসছে।"


- Agnes Callamard, Secretary General, Amnesty International।


ধন্যবাদ।


==============================


আমার কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে যে, তালিবানের পূর্বের Jamiat E Islami পরিচালিত মুজাহিদীন সরকার ব্যর্থ হলো কেন।


সুতরাং, তাঁর উত্তর দিচ্ছি। সোভিয়েত ইঊনিয়নের পতনের পর আফগানিস্তানের Jamiat -e- Islami ও এর আরেকটি বিচ্ছিন্ন অংশ Hezb -e- Islami ক্ষমতার দ্বন্দ্বে ভয়ঙ্কর গৃহযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।


পরিস্থিতি এতখানি ভয়াবহ হয়েছিল যে, কমপক্ষে ২৫ হাজার মানুষ স্রেফ কাবুল সিটিতে এদের মধ্যকার সংঘর্ষে প্রাণ হারান। অনেকে সংখ্যাটি ৫০ হাজার পর্যন্ত ধরে থাকেন। Jamaat -e- Islami Pakistan এর সমর্থিত Hezb -e- Islami এসময় এমন ভয়াবহ ও নির্বিচার গোলাবর্ষণ করেছিল যে, কাবুলের ০৩ ভাগের ০১ ভাগ সম্পূর্ণ মাটিতে মিশে গিয়েছিল। সর্বোচ্চ অনুমান হলো, ২০ লক্ষ মানুষ তাঁদের বাড়িঘর হারিয়ে ফেলেছিলেন তখন।


ওদিকে উপমহাদেশের প্রখ্যাত ধর্মীয় স্কলার আবুল আলা মওদুদির আদর্শে উজ্জীবীত ছিল Jamiat -e- Islami নিজেও। এদের বাহিনী আবার কাবুলের আফশার অঞ্চলে প্রতিপক্ষের ওপর অভিযান চালাতে গিয়ে সেখানকার শিয়াদের নির্বিচারে হত্যা করে। পাশাপাশি, কাবুলের ওপর আর্টিলারি ফায়ারিংয়ে এদেরও বেশ বড় অবদান ছিল। এরা নির্বিচারে শহরের Hezb -e- Islami নিয়ন্ত্রিত স্থানের ওপর ভারী গোলাবর্ষণ পরিচালনা করতো।


শহরের মোড়ে মোড়ে তখন চরম উশৃঙ্খল সশস্ত্র দলের আবির্ভাব হয়। যারা কামারবান্ধ তথা তল্লাশি চৌকি বসিয়ে বেসামরিক মানুষদের লুট ও হত্যা করে ফেলতো। সবমিলিয়ে, পরিস্থিতি ছিল চরম অরাজকতাপূর্ণ।


সবমিলিয়ে, আমি সংক্ষিপ্তাকারে একটি চরম নৃশংস ও বীভৎস পরিস্থিতিকে এখানে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। Hezb -e- Islami এর বীভৎসতা তো এতো বেশি ছিল যে, ওদের আমিরকে সাধারণ মানুষ "কাবুলের কসাই" বলে ডাকতে আরম্ভ করে। যার ফলশ্রুতিতে তালিবান ২৭শে সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬ সাল তারিখে যখন কাবুল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয়, তখন সাধারণ মানুষ তাঁদের মুক্তির অগ্রদূত হিসাবে চিহ্নিত করেছিল।


ধন্যবাদ।

Comments

Popular posts from this blog

 রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন চুপ্পু Kaler Kantho এর কাছে গেলো অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে ওনার বঙ্গভবনে অবস্থানের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। উনি বলেন যে, বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী ওনাকে তখন সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেন। "সশস্ত্র বাহিনী আমাকে স্রেফ একটি কথা বলেছিল। তা হলো, মহামান্য! আপনি সামরিক বাহিনীর সর্বাধিকনায়ক! আপনার পরাজয়ের অর্থ সমগ্র সামরিক বাহিনীর পরাজয়। আর আমরা যেকোনো মূল্যে সেটি রুখে দেওয়ার চেষ্টা করব! শেষে ওনারা তাই করেছেন। ওনারা বিভিন্ন সময়ে এসেছেন, আমাকে মানসিক শক্তি জুগিয়েছেন।" অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একবার রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিনকে ওনার পদ হতে সরাতে চেয়েছিল। তখন Chief of Army Staff, Chief of Naval Staff ও Chief of Air Staff তথা বাংলাদেশের তিন বাহিনীর প্রধান রুখে দাঁড়ান ও Muhammad Yunus কে বলেন যে, "আমরা সংবিধানের বিপরীত কোনো কার্যকলাপ সংঘটিত হতে দিব না!" যখন বঙ্গভবনের সামনে অজ্ঞাতনামা পরিচয়ের মানুষ রাষ্ট্রপতির পতনের দাবি নিয়ে জড়ো হয়েছিল, তখনো সামরিক বাহিনী উপরোক্ত অবস্থান ধরে রাখে। Party-BNP এর শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উক্ত সময়টিতে বিনা দ্বিধায় রাষ্ট্রপতির পাশে ছিলেন মর্মেও জা...
 [সতর্ক অবস্থানে ও সম্মানজনক পরিবেশে অডিও চালুর অনুরোধ রাখা হলো] "Will you invoke ba'al and forsake The Best of Artisans!" দুনিয়ার বুকে Jeffrey Epstein ও ওর বন্ধুদের শত্রুতা কেন ফিলিস্তিন, ইরাক, সিরিয়া, ইয়েমেন, আফ্রিকা, আফগানিস্তান, পাকিস্তান, কাশ্মির, আরাকান, বাংলাদেশ, ফিলিপাইন, উইঘুরে স্রেফ মুসলমানদের সাথে তাঁর জবাব এখানেই আছে। For context, Epstein ছিল বা'আলের পূজারি। অন্তত তেমনটিই বর্তমানে বিশ্লেষকদের ধারণা। আর, নিচে কুরআনুল কারিমের আয়াত।  "তোমরা কি বা'আলকে ডাকবে এবং পরিত্যাগ করবে সর্বোত্তম সৃষ্টিকর্তা আল্লাহকে!" মেক্সিকোয় একজন বিচারক এক নারী, শিশু, মানব পাচারকারীর বিচার করছিলেন। একজন গুপ্তঘাতক তাকে গুলি করে। জানা যায় যে, শুটার আমেরিকান। এর আগে কেসের দায়িত্বে থাকা Mexican Intelligence Community এর অফিসার ও তার পার্টনারকে ০৪ বার গুপ্তহত্যার চেষ্টা চালানো হয়। তার পার্টনার সেসময় ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ০২ জন মার্কিন ইন্টেলিজেন্স অপারেটিভকে হত্যা এবং ০৫ জনকে আহত করেন। এই দু'জন মেক্সিকান ইন্টেলিজেন্স অফিসারকে তখন মেক্সিকোর ইঊ.এস দূতাবাসের ডিপ্লোম্যাটিক প্লেট ...
 ডক্টর আফিয়া সিদ্দিকীকে পাকিস্তান সরকার ৫৫,০০০ মার্কিন ডলারের বিনিময়ে United States Intelligence Community (USIC) এর কাছে বিক্রি করেছিল Inter Services Intelligence (ISI)। জানিয়েছেন ডক্টর আফিয়া সিদ্দিকীর আইনজীবী। পাকিস্তানি ইন্টেলিজেন্স কমিঊনিটির জন্য অর্থের লোভে নিরপরাধ পাকিস্তানি নাগরিকদের বন্দি করে বিক্রি করা অবশ্য মোটেও অস্বাভাবিক কিছু না। ISI এর অফিসারদের CIA এর কাছে মানুষ বিক্রি করার এই স্বভাব এতখানি ভয়ানক পৈশাচিক পর্যায়ে গিয়ে দাঁড়িয়েছিল যে, খোদ CIA একটা সময়ে ইসলামাবাদকে জানায় যে, এভাবে আর কাউকে বন্দি করা হলে আমরা অর্থ পরিশোধ করতে পারব না। এখন থেকে তোমাদের কাছে কেউ থাকলে তোমরা কোনো বিনিময় ছাড়া তাঁকে আমাদের হাতে তুলে দিবে। কারণ, CIA দেখছিল যে, পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদী আখ্যা দিয়ে ওদের হাতে যাদেরকে তুলে দিচ্ছে, তাঁদের বড় একাংশ একেবারেই সাধারণ মানুষ। ফলে, CIA বুঝতে পারে যে, ISI অফিসাররা মূলত আমেরিকানদের পরিশোধিত টাকার লোভে পড়ে সাধারণ মানুষকে ধরে এনে ওদের হাতে উঠিয়ে দিচ্ছে। ওদের ধোঁকা দিয়ে সোজা কথায় পুরোপুরি নিরীহ, অসহায় মানুষদের নির্যাতন করিয়ে Scam করছে। ফলে, আমেরিকানরা পাকিস্তানিদ...