Skip to main content

 ২০১৪ সালের APS School এ হওয়া শিশুদের কুখ্যাত গণহত্যা দিয়ে আজ আফগানিস্তানে হাসপাতালের ওপর পাকিস্তানি বিমান হামলা ও চার শতাধিক মানুষের হত্যাকে বৈধতা দেওয়া হচ্ছে।


আমাদের কি জানা আছে যে, APS School এর হামলার পর তৎকালীন আফগান তালিবান এই হামলাকে অনৈসলামিক বলে আখ্যা দিয়ে কঠোর নিন্দা জানিয়েছিল! আজকের আফগান সরকারের মুখপাত্র ও ডেপুটি মিনিস্টার অব ইনফরমেশন জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ তখন বলেন,


"ইচ্ছাকৃতভাবে নিরপরাধ মানুষ, শিশু ও নারীদের হত্যা করা ইসলামের মূলনীতির বিরোধী।"


একইসময়ে এমনকি Al-Qaeda in the Indian Subcontinent (AQIS), United Nations Designated Terrorist Organization এই হামলার বিপক্ষে প্রচণ্ড কঠোর ভাষায় বার্তা জারি করে। বিবৃতিটি ছিল ০৪ পৃষ্ঠাব্যপী অস্বাভাবিক রকমের দীর্ঘাকার। যেখানে লেখা হয় যে,


"Massacre of innocent children makes our hearts burst!"


সবচেয়ে রহস্যজনক বিষয় হলো, AQIS এর বিবৃতি থেকে জানা যায় যে, মিডিয়াতে নিঊজ আসবার পূর্বে এই হামলার বিষয়ে তাঁদের হামলার বিষয়ে সামান্যতম ধারণাও ছিল না! এবং, তাঁদের বিবৃতিতেও হামলাকে "অনৈসলামিক" বলে আখ্যা দেওয়া হয়।


সুতরাং, ঐ হামলার অজুহাতে আফগানদের ওপর গণহত্যাকে বৈধতা দেওয়া কতখানি যৌক্তিক তা নিজেকে জিজ্ঞাসা করা জরুরি।


ধন্যবাদ।


==============================


কাবুলের হাসপাতালে Pakistan Air Force এর হামলায় শাহাদাতবরণকারী মানসিক ভাবে পঙ্গু মানুষদের একাংশের জানাযার দৃশ্য। আফগান সরকারের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ ও সর্বস্তরের মানুষ সেখানে অংশ নেন।


ভিডিওর শুরুতে অগণিত লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সকে বিদায়ী মূহুর্ত হিসাবে ব্লু লাইট রান করতে দেখা যাচ্ছে। যেখানে ইমার্জেন্সি লাইট চালু করে এই মানুষদের শেষ বিদায় জানাচ্ছেন ইমার্জেন্সি ভেহিক্যালের চালকেরা।


আজকের জানাযা যাঁদের হয়েছে, তাঁদের অধিকাংশের কোনো পরিবার ছিল না বলে জানা যায়। আফগান সরকার ও হাসপাতালের সঙ্গীরা ছিল তাঁদের পরিবার এক অর্থে। সুতরাং, আজ কাবুলের পাহাড়ে তাঁদের সকলকে বন্ধুদের সাথে একত্রে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হলো।


ধন্যবাদ।

Comments

Popular posts from this blog

 রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন চুপ্পু Kaler Kantho এর কাছে গেলো অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে ওনার বঙ্গভবনে অবস্থানের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। উনি বলেন যে, বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী ওনাকে তখন সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেন। "সশস্ত্র বাহিনী আমাকে স্রেফ একটি কথা বলেছিল। তা হলো, মহামান্য! আপনি সামরিক বাহিনীর সর্বাধিকনায়ক! আপনার পরাজয়ের অর্থ সমগ্র সামরিক বাহিনীর পরাজয়। আর আমরা যেকোনো মূল্যে সেটি রুখে দেওয়ার চেষ্টা করব! শেষে ওনারা তাই করেছেন। ওনারা বিভিন্ন সময়ে এসেছেন, আমাকে মানসিক শক্তি জুগিয়েছেন।" অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একবার রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিনকে ওনার পদ হতে সরাতে চেয়েছিল। তখন Chief of Army Staff, Chief of Naval Staff ও Chief of Air Staff তথা বাংলাদেশের তিন বাহিনীর প্রধান রুখে দাঁড়ান ও Muhammad Yunus কে বলেন যে, "আমরা সংবিধানের বিপরীত কোনো কার্যকলাপ সংঘটিত হতে দিব না!" যখন বঙ্গভবনের সামনে অজ্ঞাতনামা পরিচয়ের মানুষ রাষ্ট্রপতির পতনের দাবি নিয়ে জড়ো হয়েছিল, তখনো সামরিক বাহিনী উপরোক্ত অবস্থান ধরে রাখে। Party-BNP এর শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উক্ত সময়টিতে বিনা দ্বিধায় রাষ্ট্রপতির পাশে ছিলেন মর্মেও জা...
 [সতর্ক অবস্থানে ও সম্মানজনক পরিবেশে অডিও চালুর অনুরোধ রাখা হলো] "Will you invoke ba'al and forsake The Best of Artisans!" দুনিয়ার বুকে Jeffrey Epstein ও ওর বন্ধুদের শত্রুতা কেন ফিলিস্তিন, ইরাক, সিরিয়া, ইয়েমেন, আফ্রিকা, আফগানিস্তান, পাকিস্তান, কাশ্মির, আরাকান, বাংলাদেশ, ফিলিপাইন, উইঘুরে স্রেফ মুসলমানদের সাথে তাঁর জবাব এখানেই আছে। For context, Epstein ছিল বা'আলের পূজারি। অন্তত তেমনটিই বর্তমানে বিশ্লেষকদের ধারণা। আর, নিচে কুরআনুল কারিমের আয়াত।  "তোমরা কি বা'আলকে ডাকবে এবং পরিত্যাগ করবে সর্বোত্তম সৃষ্টিকর্তা আল্লাহকে!" মেক্সিকোয় একজন বিচারক এক নারী, শিশু, মানব পাচারকারীর বিচার করছিলেন। একজন গুপ্তঘাতক তাকে গুলি করে। জানা যায় যে, শুটার আমেরিকান। এর আগে কেসের দায়িত্বে থাকা Mexican Intelligence Community এর অফিসার ও তার পার্টনারকে ০৪ বার গুপ্তহত্যার চেষ্টা চালানো হয়। তার পার্টনার সেসময় ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ০২ জন মার্কিন ইন্টেলিজেন্স অপারেটিভকে হত্যা এবং ০৫ জনকে আহত করেন। এই দু'জন মেক্সিকান ইন্টেলিজেন্স অফিসারকে তখন মেক্সিকোর ইঊ.এস দূতাবাসের ডিপ্লোম্যাটিক প্লেট ...
 ডক্টর আফিয়া সিদ্দিকীকে পাকিস্তান সরকার ৫৫,০০০ মার্কিন ডলারের বিনিময়ে United States Intelligence Community (USIC) এর কাছে বিক্রি করেছিল Inter Services Intelligence (ISI)। জানিয়েছেন ডক্টর আফিয়া সিদ্দিকীর আইনজীবী। পাকিস্তানি ইন্টেলিজেন্স কমিঊনিটির জন্য অর্থের লোভে নিরপরাধ পাকিস্তানি নাগরিকদের বন্দি করে বিক্রি করা অবশ্য মোটেও অস্বাভাবিক কিছু না। ISI এর অফিসারদের CIA এর কাছে মানুষ বিক্রি করার এই স্বভাব এতখানি ভয়ানক পৈশাচিক পর্যায়ে গিয়ে দাঁড়িয়েছিল যে, খোদ CIA একটা সময়ে ইসলামাবাদকে জানায় যে, এভাবে আর কাউকে বন্দি করা হলে আমরা অর্থ পরিশোধ করতে পারব না। এখন থেকে তোমাদের কাছে কেউ থাকলে তোমরা কোনো বিনিময় ছাড়া তাঁকে আমাদের হাতে তুলে দিবে। কারণ, CIA দেখছিল যে, পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদী আখ্যা দিয়ে ওদের হাতে যাদেরকে তুলে দিচ্ছে, তাঁদের বড় একাংশ একেবারেই সাধারণ মানুষ। ফলে, CIA বুঝতে পারে যে, ISI অফিসাররা মূলত আমেরিকানদের পরিশোধিত টাকার লোভে পড়ে সাধারণ মানুষকে ধরে এনে ওদের হাতে উঠিয়ে দিচ্ছে। ওদের ধোঁকা দিয়ে সোজা কথায় পুরোপুরি নিরীহ, অসহায় মানুষদের নির্যাতন করিয়ে Scam করছে। ফলে, আমেরিকানরা পাকিস্তানিদ...