Skip to main content

 [সতর্ক অবস্থানে ও সম্মানজনক পরিবেশে অডিও চালুর অনুরোধ রাখা হলো]


"Will you invoke ba'al and forsake The Best of Artisans!"


দুনিয়ার বুকে Jeffrey Epstein ও ওর বন্ধুদের শত্রুতা কেন ফিলিস্তিন, ইরাক, সিরিয়া, ইয়েমেন, আফ্রিকা, আফগানিস্তান, পাকিস্তান, কাশ্মির, আরাকান, বাংলাদেশ, ফিলিপাইন, উইঘুরে স্রেফ মুসলমানদের সাথে তাঁর জবাব এখানেই আছে।


For context, Epstein ছিল বা'আলের পূজারি। অন্তত তেমনটিই বর্তমানে বিশ্লেষকদের ধারণা। আর, নিচে কুরআনুল কারিমের আয়াত। 


"তোমরা কি বা'আলকে ডাকবে এবং পরিত্যাগ করবে সর্বোত্তম সৃষ্টিকর্তা আল্লাহকে!"


মেক্সিকোয় একজন বিচারক এক নারী, শিশু, মানব পাচারকারীর বিচার করছিলেন। একজন গুপ্তঘাতক তাকে গুলি করে। জানা যায় যে, শুটার আমেরিকান।


এর আগে কেসের দায়িত্বে থাকা Mexican Intelligence Community এর অফিসার ও তার পার্টনারকে ০৪ বার গুপ্তহত্যার চেষ্টা চালানো হয়। তার পার্টনার সেসময় ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ০২ জন মার্কিন ইন্টেলিজেন্স অপারেটিভকে হত্যা এবং ০৫ জনকে আহত করেন। এই দু'জন মেক্সিকান ইন্টেলিজেন্স অফিসারকে তখন মেক্সিকোর ইঊ.এস দূতাবাসের ডিপ্লোম্যাটিক প্লেট লাগানো ভ্যান নিয়ে Central Intelligence Agency (CIA)/OGA অফিসাররা অনুসরণ করতে আরম্ভ করে।


তারপর সবচেয়ে বিপদজনক সূত্র পাওয়া যায় যখন এই মেক্সিকান টিম Naval Special Warfare Development Group, U.S. Navy তথা SEAL Team SiX এর ফাউণ্ডার, রিটায়ার্ড কমাণ্ডার (নেভাল স্পেশাল ওয়ারফেয়ার) রিচার্ড মারসিঙ্কোকে চাইল্ড পর্ন সহ আটক করে বসেন।


মার্কিন নেভির কমাণ্ডার মারসিঙ্কো সেই Joint Special Operations Command (JSOC) কম্পোনেন্টের ফাঊণ্ডার, যারা ঊসামা বিন লাদেনকে হত্যা করেছিল। ওকে Demo Dick/ Dick Marcinko নামেও ডাকা হয় কমিঊনিটিতে।


যাইহোক, মারসিঙ্কোর কাছে পাওয়া ফাইল থেকে ওনারা অবগত হন যে, পরিস্থিতি কতখানি ভয়াবহ৷ Prince Phillip, যে কিনা রাণী এলিজাবেথের স্বামী, তাদের কাছে লোকটির অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ ছিল। তবে, তখন তারা আবিষ্কার করেন যে, নতুন ভিডিও গুলোতে যাদের দেখা যাচ্ছে, ওদের তুলনায় প্রিন্স ফিলিপ আসলে মশা-মাছি।


"The President of Mexico is keenly aware of our case against Marcinko and other US Officials. This case we have here is most certainly connected to yours, we have the proof. Our case will help bring a whole new dynamic to what you know and who is involved, Prince Phillip is small fry compared to what we have uncovered." 


অফিসারটি তার ইঊএস ইন্টেলিজেন্স কাঊন্টার-পার্টকে তখন প্রশ্ন করেন যে, তোমার Task Force এ NSA, CIA কিংবা U.S. Department of State এর কোনো অফিসিয়াল আছে? যারা তোমার সাথে আমাদের শেয়ার করা ইন্টেলিজেন্স অ্যাকসেস করছে? কারণ, এদিকে আমাদের এদিকে মানুষের জীবন হুমকির সম্মুখীন!


মেক্সিকোর হুঁয়ারেজে মার্কিন দূতাবাস নিয়ন্ত্রিত হাউজিং কম্পাউণ্ডে শিশুদের ধর্ষণের পার্টি হতো বলেও সেখানে উল্লেখ করা হয়। Jeffrey Epstein 'কে যেখানে Demo Dick Marcinko এর সাথে দেখা গিয়েছিল বলে জানানো হয়।


ধন্যবাদ।


বাশার আল-আসাদ ও আসমা আল-আসাদ US ও UK Intelligence Community এর Asset ছিল। তথ্যটি এতদিন শুধুমাত্র বিশ্লেষকদের ধারণা হলেও বর্তমানে দাবির স্বপক্ষে প্রমাণ পাওয়া সম্ভব হয়েছে। প্রমাণটি এসেছে দামেশকের Military Intelligence Directorate এর সদরদপ্তর হতে।


বাশার আল-আসাদের পিতা ছিল হাফিজ আল-আসাদ। সম্ভবত রাষ্ট্রপতির সন্তান হিসাবে তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য Military Intelligence Directorate (MID) ১৯৯২ সালে তার ও তার সঙ্গিনীর ওপর সার্ভেইল্যান্স চালু করে। আলোচ্য রিপোর্টের আগমন ঘটে লণ্ডনে কর্মরত MID সার্ভেইল্যান্স অফিসারদের হতে। রিপোর্টটির সত্যতা আমরা নিশ্চিত হতে পারি কারণ, রিপোর্টের সময়রেখা সঠিক বলে প্রমাণিত। '৯২ সালে বাশার আল-আসাদ সিরিয়া হতে লণ্ডনের Western Eye Hospital এ Opthalmologist তথা চক্ষু বিশেষজ্ঞ হিসাবে গমন করে। সেখানে আসমা আল-আসাদের সাথে তার ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়।


রাষ্ট্রপতির সন্তানের সাথে আসমার ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠার কারণে তার ওপর MID থেকে নজরদারি চালানো স্বাভাবিক ছিল। এবং স্বাভাবিকভাবে লণ্ডনে মোতায়েন থাকা MID অপারেটিভরা তাদের কাজ শুরু করে। ফলাফল আপনারা নিচের রিপোর্টে দেখতে পাবেন। রিপোর্টে আসমা আল-আসাদকে আসমা ফাওয়াজ আল-আখরাস নামে সম্বোধন করা হয়েছে। রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে Major General আলি ঈসা ইবরাহিমের পক্ষ হতে বাশারের বাবা হাফিজ আল-আসাদের কাছে। রিপোর্টটি নিম্নে সংযুক্ত করা হলো।


                            ''TOP SECRET''


সিরিয়ান আরব রিপাবলিক।

জেনারেল কমাণ্ড, আর্মড ফোর্সেস অব সিরিয়া।

ইন্টেলিজেন্স ডিভিশন, অফিস অব দি ডিরেক্টর অব দি ডিভিশন।


তারিখ: ১৪.১২.১৯৯২।

বিষয়: আসমা ফাওয়াজ আল-আখরাসের বিষয়ে পাওয়া তথ্য।


ডিভিশনের পূর্বের রিপোর্টের সাথে আরো তথ্য সংযুক্ত করা হলো। সাবজেক্টকে মনিটরের দায়িত্বে মোতায়েন হওয়া ডিভিশনের সিরিয়ান অফিসাররা জানিয়েছেন, মহিলা Deutsche Bank, NYC এর লণ্ডন শাখায় তার স্বল্প অভিজ্ঞতা ও অল্প বয়সের পরও নতুন একটি পদোন্নতি লাভ করেছেন। তার পদোন্নতির পেছনে Eliza Mannigham Buller, Head of The Technical Control Department, UK Security Service (MI-5) এর ভূমিকার বিষয়ে অবগত হওয়া গিয়েছে। নতুন পদোন্নতির ফলে তিনি আমেরিকার National Security Council (NSC) এর পক্ষ হতে বিশেষ করে চীনা, রুশ ও পশ্চিম ইউরোপের গ্লোবাল করপোরেশন ও ঔষধ কোম্পানি সমূহের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও আইন বিষয়ক গোপন তথ্য সংগ্রহের দায়িত্ব লাভ করেছেন। NSC বিশ্বের অর্থনীতি, রাজনীতি, ইউরোপ ও ইসরায়েল বিষয়ে মার্কিন নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ। ওরা গোলান মালভূমি ও লেবানন নিয়েও কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে থাকে।


ডিভিশনের কর্মকর্তাদের রিপোর্ট হতে আমরা নিশ্চিত যে, আসমা ফাওয়াজের সাথে বৃটিশদের দারুণ ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। বিশেষ করে তার সাথে মিস লিসা ও কলিন ম্যাককলের বিশেষ সম্পর্ক দারুণ লক্ষণীয়। কলিন লণ্ডনে Director, Secret Intelligence Service (SIS) হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি মিস লিসা লণ্ডনে Military Intelligence (Section-5) এর Counter Terrorism (Ireland) শাখা নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন।


সর্বাধিনায়কের একান্ত অনুগতের পক্ষ হতে রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর পড়ার ও নির্দেশনা জারি করবার আবেদন রইলো।


মেজর জেনারেল আলি ঈসা দুবা,

ডেপুটি চিফ অব স্টাফ অ্যাণ্ড দি ডিরেক্টর অব দি ইন্টেলিজেন্স ডিভিশন।


দামেশক।


অনুবাদকের পর্যবেক্ষণ থেকে লক্ষণীয় হলো, MID থেকে পাঠানো তখনকার রিপোর্টে বলা হয় যে, আসমা ফাওয়াজের স্বল্প বয়স ও অভিজ্ঞতার পরও আসমা ফাওয়াজকে ব্যাংকটির লণ্ডনের মতো বড় শাখায় গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান দেওয়া হয়েছে। এর অর্থ হতে পারে, বৃটিশ ইন্টেলিজেন্স বাশার আল-আসাদকে ফাঁদে ফেলার জন্য তার কিশোর বয়সের বান্ধবীকে সেখানে Recruit করে ডেপ্লয় করেছিল।


(চলবে)


(লেখাটি সিরিয়ার বিপ্লবের নিয়ন্ত্রণে দামেশক আগমনের পর প্রকাশিত হয়েছিল। আমরা জানি যে, NATO Intelligence Community আসলে Jeffrey Epstein এর ঘনিষ্ঠ)


বাশার আল-আসাদের স্ত্রী আসমা আল-আসাদের সাথে UK Intelligence Community এর সম্পর্ক নিয়ে আমরা পূর্বের পর্বে পড়েছি। যেখান থেকে আমরা বাশার আল-আসাদকে ফাঁদে ফেলার জন্য আসমা ফাওয়াজকে Deutsche Bank এর লণ্ডন শাখায় যোগ্যতার ঘাটতি সত্বেও উঁচু পর্যায়ে পদোন্নতি দিয়ে পজিশন করা হয়েছে মর্মে সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি। এখন আমরা সিরিয়ার Military Intelligence Directorate (MID) এর আরেকটি সার্ভেইল্যান্স রিপোর্ট পড়ব। যেখান থেকে লণ্ডন শহরে থাকাকালীন বাশার আল-আসাদের কীর্তি সম্পর্কে জানব আমরা। আমরা আরো জানব যে, আসলে বাশার আল-আসাদ কে ছিল।

                             ''TOP SECRET''

সিরিয়ান আরব রিপাবলিক।

জেনারেল কমাণ্ড, আর্মড ফোর্সেস অব সিরিয়া।

ইন্টেলিজেন্স ডিভিশন - অফিস অব দি ডিরেক্টর অব দি ডিভিশন।

তারিখ: ১৪.১২.১৯৯২।

বিষয়: লণ্ডনে ডাক্তার বাশার আল-আসাদের কর্মকাণ্ডের ওপর নজরদারি।

মহামান্য রাষ্ট্রপতির পূর্বের আদেশ অনুযায়ী আমাদের টিম লণ্ডনে ডাক্তার বাশার আল-আসাদের ওপর Protective Surveillance চালু করেছে। ডিভিশন থেকে দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তারা দেখেছেন যে, লণ্ডনে বাশার আল-আসাদ তার পড়াশোনা ও প্রশিক্ষণ রুটিনের বাহিরে নিম্নোক্ত কর্মকাণ্ডে জড়িত হয়েছেন। যেমন -

২১/১১/১৯৯২। শনিবার। দিনটিতে তিনি আসমা ফাওয়াজ ও তার মা সাহার আল-আতরির সাথে চেস্টারফিল্ড হোটেলের একটি প্রাইভেট স্যুইটে সাক্ষাৎ করেছেন। এসময় সেখানে Elisa Mannigham Buller নিজেও উপস্থিত ছিলেন। সাক্ষাৎ চলাকালীন সেখানে বৃটিশ অপারেটিভদের ভারী উপস্থিতি লক্ষ্য করা গিয়েছে। গ্রাউণ্ডে থাকা কর্মকর্তাদের ধারণা, অপারেটিভরা MI-5 এর Technical & Surveillance Operations Department অথবা Counter Intelligence Department হতে এসেছিল। আলোচ্য মিস লিসা সংস্থাটির প্রথম শাখার প্রধান হিসাবে কাজ করছেন।

০১/১২/১৯৯২। রবিবার। লণ্ডনের অ্যাক্টনে ডক্টর ফাওয়াজের বাড়িতে একটি ছোট্ট প্রাইভেট পার্টির আয়োজন করা হয়। ডক্টর ফাওয়াজ আখরাস হলেন আলোচ্য আসমা ফাওয়াজ আল-আখরাসের পিতা। পার্টিতে পরিবারের সদস্য ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ডক্টর গাঈস আর্মানাজি। যিনি লণ্ডনে আমাদের সাবেক কূটনীতিবিদ ও ব্যাংকার্স কমিউনিটির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত।

পার্টিতে আরো উপস্থিত ছিলেন উপরোক্ত MI-5 অফিসার Elisa। উপস্থিত ছিলেন Raymond Asquith। যিনি মস্কোয় SIS এর স্টেশন কমাণ্ডার হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। '৮৫ সালে KGB এর লণ্ডন চিফ ও কর্নেল Oleg Gordievsky কে বিশ্বাসঘাতকতা করে বৃটেনে পালিয়ে যেতে সাহায্য করার অভিযোগে USSR তাকে বহিষ্কার করে।

সেখানে আরো উপস্থিত হয়েছিলেন John Taylor Holmes। আমাদের টিম শুরুতে তার পরিচয় শণাক্ত করতে ব্যর্থ হয়। পরবর্তীতে আমরা তাকে Commander, 22 Special Air Service Regiment হিসাবে চিহ্নিত করেছি।

আলোচ্য সন্ধ্যার পার্টি যদিও একটি সামাজিক অনুষ্ঠান ছিল, কিন্তু উপস্থিত বৃটিশ অতিথিরা ডাক্তার বাশার আল-আসাদকে রাজনৈতিক প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেছেন। তারা বাশারকে সিরিয়ার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে প্রশ্ন করেন ও দেশের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ সম্পর্কেও জিজ্ঞাসা করেন। তাদের সাথে তার কোনো যোগাযোগ আছে কিনা সেটিও জানার চেষ্টা করেন তারা। তারা ইসরায়েলের সাথে সিরিয়ার শান্তি আলোচনার বিষয়ে তার মতামত জানার চেষ্টা করেছেন। পাশাপাশি তিনি ডক্টর মুয়াফফাক্ব আলাফকে চিনেন কিনা সেটিও জিজ্ঞাসা করেন তারা।

আপনার একান্ত অনুগতের পক্ষ হতে পড়ার ও নির্দেশনা জারির আবেদন থাকছে।

মেজর জেনারেল আলি ঈসা দুবা।

ডেপুটি চিফ অব স্টাফ অ্যাণ্ড দি ডিরেক্টর অব দি ইন্টেলিজেন্স ডিভিশন।

দামেশক।

অনুবাদকের পর্যবেক্ষণ হতে জানা গিয়েছে যে, পার্টিতে আসা 22 Special Air Service এর তখনকার কমাণ্ডার পরবর্তীতে United Kingdom Special Forces - UKSF এর Director of Special Forces (DSF) এ পরিণত হন। Major General John Taylor Holmes পরে ২০১৮ সালে বাশারের শ্বশুর ডক্টর ফাওয়াজ নিয়ন্ত্রিত British Syrian Society (BSS) তে যোগদান করেছিলেন। যা প্রত্যক্ষভাবে সিরিয়া ও বৃটেন সরকারের মাঝে যোগাযোগের একটি বড় মাধ্যম ছিল।

(শেষ)

Comments

Popular posts from this blog

 রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন চুপ্পু Kaler Kantho এর কাছে গেলো অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে ওনার বঙ্গভবনে অবস্থানের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। উনি বলেন যে, বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী ওনাকে তখন সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেন। "সশস্ত্র বাহিনী আমাকে স্রেফ একটি কথা বলেছিল। তা হলো, মহামান্য! আপনি সামরিক বাহিনীর সর্বাধিকনায়ক! আপনার পরাজয়ের অর্থ সমগ্র সামরিক বাহিনীর পরাজয়। আর আমরা যেকোনো মূল্যে সেটি রুখে দেওয়ার চেষ্টা করব! শেষে ওনারা তাই করেছেন। ওনারা বিভিন্ন সময়ে এসেছেন, আমাকে মানসিক শক্তি জুগিয়েছেন।" অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একবার রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিনকে ওনার পদ হতে সরাতে চেয়েছিল। তখন Chief of Army Staff, Chief of Naval Staff ও Chief of Air Staff তথা বাংলাদেশের তিন বাহিনীর প্রধান রুখে দাঁড়ান ও Muhammad Yunus কে বলেন যে, "আমরা সংবিধানের বিপরীত কোনো কার্যকলাপ সংঘটিত হতে দিব না!" যখন বঙ্গভবনের সামনে অজ্ঞাতনামা পরিচয়ের মানুষ রাষ্ট্রপতির পতনের দাবি নিয়ে জড়ো হয়েছিল, তখনো সামরিক বাহিনী উপরোক্ত অবস্থান ধরে রাখে। Party-BNP এর শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উক্ত সময়টিতে বিনা দ্বিধায় রাষ্ট্রপতির পাশে ছিলেন মর্মেও জা...
 ডক্টর আফিয়া সিদ্দিকীকে পাকিস্তান সরকার ৫৫,০০০ মার্কিন ডলারের বিনিময়ে United States Intelligence Community (USIC) এর কাছে বিক্রি করেছিল Inter Services Intelligence (ISI)। জানিয়েছেন ডক্টর আফিয়া সিদ্দিকীর আইনজীবী। পাকিস্তানি ইন্টেলিজেন্স কমিঊনিটির জন্য অর্থের লোভে নিরপরাধ পাকিস্তানি নাগরিকদের বন্দি করে বিক্রি করা অবশ্য মোটেও অস্বাভাবিক কিছু না। ISI এর অফিসারদের CIA এর কাছে মানুষ বিক্রি করার এই স্বভাব এতখানি ভয়ানক পৈশাচিক পর্যায়ে গিয়ে দাঁড়িয়েছিল যে, খোদ CIA একটা সময়ে ইসলামাবাদকে জানায় যে, এভাবে আর কাউকে বন্দি করা হলে আমরা অর্থ পরিশোধ করতে পারব না। এখন থেকে তোমাদের কাছে কেউ থাকলে তোমরা কোনো বিনিময় ছাড়া তাঁকে আমাদের হাতে তুলে দিবে। কারণ, CIA দেখছিল যে, পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদী আখ্যা দিয়ে ওদের হাতে যাদেরকে তুলে দিচ্ছে, তাঁদের বড় একাংশ একেবারেই সাধারণ মানুষ। ফলে, CIA বুঝতে পারে যে, ISI অফিসাররা মূলত আমেরিকানদের পরিশোধিত টাকার লোভে পড়ে সাধারণ মানুষকে ধরে এনে ওদের হাতে উঠিয়ে দিচ্ছে। ওদের ধোঁকা দিয়ে সোজা কথায় পুরোপুরি নিরীহ, অসহায় মানুষদের নির্যাতন করিয়ে Scam করছে। ফলে, আমেরিকানরা পাকিস্তানিদ...