Skip to main content

 গতকাল থেকে আমার টাইমলাইনে ব্রুনাই নিয়ে একাধিক কন্টেন্ট এসেছে। কেবলমাত্র একটা নজরে এলো। যেগুলো মূলত ব্রুনাইয়ের ধনাঢ্য মুসলিম দেশ হওয়া এবং ব্রুনাইকে বিরাট সুশৃঙ্খল ইসলামি দেশ হিসাবে তুলে ধরেছে। সুতরাং, আমি একটু বলি।


ব্রুনাই নিয়ে এতখানি প্রশংসা, আমাদের জানা আছে কি যে, বৃটিশ মিলিটারির ব্রুনাইতে স্থায়ী ঘাঁটি ও স্কুল আছে! British Forces Brunei এর আণ্ডারে Tuker, Sittang, Medicina Lines নামের এসব ঘাঁটি থেকে বিভিন্ন রকমের কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়।


Special Air Service (SAS) ও Special Boat Service (SBS) এর সিলেকশনের জাঙ্গল ওয়ারফেয়ার অংশ সম্পূর্ণটা হয় ব্রুনাইতে। Training Team Brunei (TTB) এর বৃটিশ ও গোর্খা প্রশিক্ষকরা এটার পরিচালনা করে। Royal Gurkha Rifles এর ০১ ব্যাটালিয়ন পরিমাণ শক্তি সবসময় এখানে মোতায়েন থাকে। বৃটিশ বিমান বাহিনীর 230 Squadron যাদের এভিয়েশন সাপোর্ট দেয়।


Gurkha Security Unit (GSU) হলো ব্রুনাইয়ের সশস্ত্র বাহিনীর একটি ইঊনিট। এটি বৃটিশ আর্মি ও সিঙ্গাপুর পুলিশের সাথে কাজ করা আনুমানিক ২,০০০ রিটায়ার্ড গোর্খা সৈনিক আছে। যারা মূলত সুলতান তথা সরকারের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত।


এবং, অবশ্যই। স্বাভাবিকভাবেই সেখানে Pakistan Army এর মেডিকেল টিম আছে ব্রুনাইয়ের সামরিক বাহিনীর সহায়তার জন্য।


ব্রুনাই সরকার ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেয় না ও খুব শক্ত ইসরায়েল বিরোধী বলে পরিচিত। তবে, NATO এর যত স্পেশাল মিশন ইঊনিট আছে, এদের জাঙ্গল ওয়ারফেয়ার সাবজেক্ট ম্যাটার এক্সপার্ট তৈরি হয় এখানে। Jungle Warfare Instructor Course (JWIC) ও Operational Tracking Instructor Course (OTIC)। পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন কয়েকটি জাঙ্গল ওয়ারফেয়ার প্রশিক্ষণের ভেতরে ওপরের দিকে থাকা কোর্স।


Delta Force, Army Special Forces, GROM, NZ SAS, Australian SASR, Navy SEAL ইত্যাদি ইঊনিট এখান থেকে ওদের কোর্স ও ওয়ার্ক-আপ ইত্যাদি করে যায়। MARSOC MSOT সহ এরকম বহু ইঊনিট ব্রুনাইয়ের Rejimen Pasukan Khas (RPK) এর সাথে JCET জাতীয় প্রশিক্ষণ পরিচালনা করে।


সুতরাং, ব্রুনাইয়ের এই স্থিতিশীলতা ও সম্পদশালী হওয়ার সাথে কাতার বা কুয়েতের স্থিতিশীলতা এবং সম্পদের খুব পার্থক্য আছে বলে আমার মনে হয় না।


ধন্যবাদ।

Comments

Popular posts from this blog

 রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন চুপ্পু Kaler Kantho এর কাছে গেলো অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে ওনার বঙ্গভবনে অবস্থানের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। উনি বলেন যে, বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী ওনাকে তখন সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেন। "সশস্ত্র বাহিনী আমাকে স্রেফ একটি কথা বলেছিল। তা হলো, মহামান্য! আপনি সামরিক বাহিনীর সর্বাধিকনায়ক! আপনার পরাজয়ের অর্থ সমগ্র সামরিক বাহিনীর পরাজয়। আর আমরা যেকোনো মূল্যে সেটি রুখে দেওয়ার চেষ্টা করব! শেষে ওনারা তাই করেছেন। ওনারা বিভিন্ন সময়ে এসেছেন, আমাকে মানসিক শক্তি জুগিয়েছেন।" অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একবার রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিনকে ওনার পদ হতে সরাতে চেয়েছিল। তখন Chief of Army Staff, Chief of Naval Staff ও Chief of Air Staff তথা বাংলাদেশের তিন বাহিনীর প্রধান রুখে দাঁড়ান ও Muhammad Yunus কে বলেন যে, "আমরা সংবিধানের বিপরীত কোনো কার্যকলাপ সংঘটিত হতে দিব না!" যখন বঙ্গভবনের সামনে অজ্ঞাতনামা পরিচয়ের মানুষ রাষ্ট্রপতির পতনের দাবি নিয়ে জড়ো হয়েছিল, তখনো সামরিক বাহিনী উপরোক্ত অবস্থান ধরে রাখে। Party-BNP এর শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উক্ত সময়টিতে বিনা দ্বিধায় রাষ্ট্রপতির পাশে ছিলেন মর্মেও জা...
 [সতর্ক অবস্থানে ও সম্মানজনক পরিবেশে অডিও চালুর অনুরোধ রাখা হলো] "Will you invoke ba'al and forsake The Best of Artisans!" দুনিয়ার বুকে Jeffrey Epstein ও ওর বন্ধুদের শত্রুতা কেন ফিলিস্তিন, ইরাক, সিরিয়া, ইয়েমেন, আফ্রিকা, আফগানিস্তান, পাকিস্তান, কাশ্মির, আরাকান, বাংলাদেশ, ফিলিপাইন, উইঘুরে স্রেফ মুসলমানদের সাথে তাঁর জবাব এখানেই আছে। For context, Epstein ছিল বা'আলের পূজারি। অন্তত তেমনটিই বর্তমানে বিশ্লেষকদের ধারণা। আর, নিচে কুরআনুল কারিমের আয়াত।  "তোমরা কি বা'আলকে ডাকবে এবং পরিত্যাগ করবে সর্বোত্তম সৃষ্টিকর্তা আল্লাহকে!" মেক্সিকোয় একজন বিচারক এক নারী, শিশু, মানব পাচারকারীর বিচার করছিলেন। একজন গুপ্তঘাতক তাকে গুলি করে। জানা যায় যে, শুটার আমেরিকান। এর আগে কেসের দায়িত্বে থাকা Mexican Intelligence Community এর অফিসার ও তার পার্টনারকে ০৪ বার গুপ্তহত্যার চেষ্টা চালানো হয়। তার পার্টনার সেসময় ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ০২ জন মার্কিন ইন্টেলিজেন্স অপারেটিভকে হত্যা এবং ০৫ জনকে আহত করেন। এই দু'জন মেক্সিকান ইন্টেলিজেন্স অফিসারকে তখন মেক্সিকোর ইঊ.এস দূতাবাসের ডিপ্লোম্যাটিক প্লেট ...
 ডক্টর আফিয়া সিদ্দিকীকে পাকিস্তান সরকার ৫৫,০০০ মার্কিন ডলারের বিনিময়ে United States Intelligence Community (USIC) এর কাছে বিক্রি করেছিল Inter Services Intelligence (ISI)। জানিয়েছেন ডক্টর আফিয়া সিদ্দিকীর আইনজীবী। পাকিস্তানি ইন্টেলিজেন্স কমিঊনিটির জন্য অর্থের লোভে নিরপরাধ পাকিস্তানি নাগরিকদের বন্দি করে বিক্রি করা অবশ্য মোটেও অস্বাভাবিক কিছু না। ISI এর অফিসারদের CIA এর কাছে মানুষ বিক্রি করার এই স্বভাব এতখানি ভয়ানক পৈশাচিক পর্যায়ে গিয়ে দাঁড়িয়েছিল যে, খোদ CIA একটা সময়ে ইসলামাবাদকে জানায় যে, এভাবে আর কাউকে বন্দি করা হলে আমরা অর্থ পরিশোধ করতে পারব না। এখন থেকে তোমাদের কাছে কেউ থাকলে তোমরা কোনো বিনিময় ছাড়া তাঁকে আমাদের হাতে তুলে দিবে। কারণ, CIA দেখছিল যে, পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদী আখ্যা দিয়ে ওদের হাতে যাদেরকে তুলে দিচ্ছে, তাঁদের বড় একাংশ একেবারেই সাধারণ মানুষ। ফলে, CIA বুঝতে পারে যে, ISI অফিসাররা মূলত আমেরিকানদের পরিশোধিত টাকার লোভে পড়ে সাধারণ মানুষকে ধরে এনে ওদের হাতে উঠিয়ে দিচ্ছে। ওদের ধোঁকা দিয়ে সোজা কথায় পুরোপুরি নিরীহ, অসহায় মানুষদের নির্যাতন করিয়ে Scam করছে। ফলে, আমেরিকানরা পাকিস্তানিদ...