United States Air Force ও Israeli Air Force এখন পর্যন্ত ইরানের ওপর Air Supremacy স্থাপন করতে সমর্থ হয়নি। বিশেষ করে আফগানিস্তান ও তুর্কমেনিস্তান লাগোয়া ইরানের পূর্বাঞ্চল মার্কিনী এবং ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর আওতার সম্পূর্ণ বাহিরে রয়েছে।
আমরা মার্কিনীদের ইরানে B-52H এর মতো ভারী বম্বার ব্যবহার করতে দেখছি। তবে, ওগুলো ইরানের আকাশসীমার ধারে-কাছে আসছে না। বরঞ্চ দূর থেকে স্ট্যাণ্ড-অফ মিঊনিশন নিক্ষেপ করছে ওরা। বিপরীতে ফাইটার ফর্মেশন ইরানের ভেতরে মূলত পূর্ব হতে প্রস্তুত করা নিরাপদ করিডোর দিয়ে আসা-যাওয়া করছে এবং সুনির্দিষ্ট টার্গেটে বোমা নিক্ষেপ করছে। এভাবে সময় নিয়ে ওদের ধীরগতিতে সামনে এগুনোর দরকার হবে।
সুতরাং, বিভিন্ন গণমাধ্যমে ইরানের ওপরে মার্কিনী ও ইসরায়েলিদের সম্পূর্ণ আকাশসীমার দখল নেওয়ার কথা আসতে পারে। তবে তা সম্পূর্ণ ভুল।
==============================
সাঊদির মিনিস্টার অব ডিফেন্স খালিদ বিন সালমান আস-সাঊদ আজ Pakistan Army এর চিফ অব আর্মি স্টাফ জেনারেল আসিম মুনিরের সাথে ইরানের বিষয়ে সাক্ষাৎ করেছে।
সাক্ষাৎকারের পর প্রকাশিত বিবৃতি হতে জানা যায় যে, সেখানে আসিম মুনির সাঊদি আরাবিয়ার ওপর ইরানের হামলা বন্ধ করার বিষয়ে কি পদক্ষেপ নেওয়া যায় তা নিয়ে আলোচনা করে। সেখানে হামলা বন্ধ করার বিভিন্ন উপায় নিয়ে এসময় আলাপ করা হয়। সাক্ষাৎকারটি তথাকথিত Strategic Mutual Defence Agreement (SMDA) এর অধীনে সংঘটিত হয়েছে।
বলে রাখা দরকার যে, সাঊদি আকাশসীমা বর্তমানে ইসরায়েল ইরানের ওপর হামলার জন্য ব্যবহার করছে। এবং আফগানিস্তানের নিকটবর্তী ইরানের পূর্বাঞ্চল মার্কিন বিমানবাহিনীর আওতার বাহিরে রয়ে গিয়েছে। এমতাবস্থায় SMDA এর অধীনে পাকিস্তানের দিক হতে ইরানের ভেতরে একপর্যায়ে বিমান হামলা শুরু হলেও অবাক হওয়ার কিছু নাই।
U.S. Navy স্ট্রাঈক লিডার ইঊ.এস.এস জর্জ বুশকে মধ্য ভূমধ্যসাগর অঞ্চলে মোতায়েন হওয়ার আদেশ জারি করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যেখানে স্ট্রাঈক লিডার ইঊ.এস.এস জেরাল্ড ফোর্ড ভূমধ্যসাগর ত্যাগ করে লোহিত সাগরে এবং স্ট্রাঈক লিডার ইঊ.এস.এস লিংকন আরব সাগরে অবস্থান নিয়েছে। আলোচ্য ক্যারিয়ার স্ট্রাঈক গ্রূপগুলো একত্রিত হলে এটি হবে CENTCOM AoR 'তে সর্বমোট ০৩টি বিমানবাহী রণতরীর সম্মেলন।
ধন্যবাদ।
==============================
Comments
Post a Comment