গত কিছু মিনিটের ব্যবধানে আমার চোখের সামনে কক্সবাজার ও টাঙ্গাইলের দু'টি খবর এলো।
কক্সবাজারের খবরটি ছিল, কক্সবাজারের আইনজীবীপাড়ায় শেখ মুজিবের ছবি উত্তোলন করা হয়েছে। এটি দিয়েছে Kaler Kantho। আমাকে ফরওয়ার্ড করেছে আমার কাছের একজন।
দ্বিতীয়টি এর কিছু মূহুর্ত আগে আমি নিজে দেখেছি আমার টাইমলাইনে। Channel 24 News এর। টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগের কার্যায়লে ব্যানার টাঙিয়ে পতাকা তোলা হয়েছে।
খবর দু'টি মিডিয়াতে আসবার সময়ের ব্যবধান আনুমানিক ৫২ মিনিট। তাহলে আশা করি বুঝতে পারছেন যে, পরিস্থিতি কতখানি গুরুতর। আমি কয়েকদিন ধরে দেখছি এমন খবর। সমস্ত জায়গাতে এমনটি হচ্ছে। এটা নিয়ে ক্ষমতাসীন দল, যাদের সবচেয়ে বেশি তৎপর থাকার কথা, ওরা কিন্তু মোটেও তৎপর না। খুলনা অঞ্চলে যখন কার্যালয় খুলেছিল গতদিন, জনগণ ও জুলাইয়ের আন্দোলনকারীরা গিয়ে তা বন্ধ করেছে। পঞ্চগড়ে, যেখানে সর্বপ্রথম কার্যালয় চালু করেছে, ওটা তো খোদ ওখানকার Party-BNP এর নেতাদের তত্বাবধানে হয়েছে বলেই আমরা সবাই সংবাদমাধ্যম হতে শুনেছি।
আমাদের বাংলাদেশের আন্দোলনের উৎসাহ অনেকখানি শ্রীলঙ্কা হতে নেওয়া হয়েছিল। আন্দোলনকারীদের কর্মকাণ্ড, তৎপরতা লঙ্কার আন্দোলনের অনুরূপ ছিল। আজ থেকে ০৮ দিন আগে লঙ্কায় ঐ আন্দোলনে অংশ নেওয়া ১২ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আজকে আমরা দেখছি এখানে শপথ নিতে রাজি হচ্ছে না কেউ, কেউ গণভোট জাতীয় বস্তুকে স্বীকার করছে না, অনেক কুখ্যাত ব্যক্তিরা ক্ষমতার বিভিন্ন স্থানে গিয়ে বসেছে।
আমাদের দেশে আন্দোলন যখন শেষ হলো, তখন লঙ্কা যাকে আন্দোলন করে তাড়িয়েছিল, সে সসম্মানে দেশে ফিরে এসেছিল। আনন্দ করি। ক্ষণস্থায়ী আনন্দ। লড়াইয়ে জিতবার ও যুদ্ধে পরাজিত হওয়ার আনন্দ।
ধন্যবাদ।
Comments
Post a Comment