০৭ই এপ্রিল, ২০১৫ সাল।
Jeffrey Epstein কে ইয়েমেন বিষয়ে পাকিস্তান ও সাঊদি আরবের মধ্যকার গোপন সমঝোতা সম্পর্কে অবগত করা হয়। জানানো হয় যে, সাঊদি বাদশাহ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কাছে ইয়েমেনের অভ্যন্তরীণ ভূমি দখলে নেওয়ার জন্য পাকিস্তানি সৈনিকদের মোতায়েনের দাবি করেছেন।
সাঊদি সরকার পাশাপাশি তারপর পাকিস্তানের কাছে যুদ্ধবিমান ও যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর দাবি করেছে, যা ইয়েমেনের সমুদ্র বন্দর দখলে নিতে ব্যবহার করা হবে। নর্থ ওয়াজিরিস্তানে বম্বিংয়ের জন্য ব্যবহৃত JF-17 যুদ্ধবিমান ইয়েমেনে পাঠানোর দাবি জানিয়েছে রিয়াদ।
Pakistan Army প্রত্যাখ্যান করেছে। পাকিস্তানিদের কথা অনুযায়ী, বিষয়টি গোপন রাখা কঠিন হতে পারে এবং ফলে ইসলামি বিশ্ব ও তৃতীয় বিশ্বের জনগণের চাপ সামাল দেওয়া কঠিন হবে।
তবে, পাকিস্তানের খুব বাজেভাবে সাঊদিদের নগদ অর্থ সহায়তা ও জ্বালানির দরকার। সুতরাং, প্রকাশ্যে পাকিস্তান এগুলো করতে অস্বীকার করলেও গোপনে একটি সমঝোতা হচ্ছে। পাকিস্তান আর্মি সাঊদি ভূখণ্ডে সেনা পাঠাতে তৈরি থাকবে, যদি একান্তই গুরুতর পরিস্থিতির উদ্ভব হয়। তবে, আপাতত পাকিস্তান ওদের বিশেষায়িত কমাণ্ডো বাহিনী Special Services Group (SSG) 'কে সাঊদির পক্ষে ইয়েমেন সীমান্তের দিকে মোতায়েন করতে তৈরি হয়েছে। পাকিস্তানি মিলিটারি ওদের প্রশিক্ষক, ট্যাংকের মতো অস্ত্র সাঊদির পক্ষে মোতায়েন করতে প্রস্তুত হয়েছে সেদিকে। এই কাঠামো পুরোপুরি দাঁড়িয়ে যাওয়ার পর সবশেষে পাকিস্তান নেভিকে লজিস্টিক্স সাপোর্টের জন্য ডেপ্লয় করা হবে। যদিও, Pakistan Navy ইতিমধ্যে ওমানের ঊপসাগরে NATO এর অধীনে জলদস্যূ বিরোধী টহল পরিচালনা করে আসছে। পাশাপাশি, পাকিস্তানিরা গালফ অব ওমানে চায়নিজ নেভির সাথে আমাদের হয়ে মধ্যস্থতাকারী হিসাবেও কাজ করছে। চায়নিজ নেভি ওমানের ঊপসাগরে জলদস্যূ দমনের অভিযান পরিচালনা করছে।
জলদস্যূ! যা কিনা সকলে ভালো করে জানি যে, এখন আর কোনো হুমকির মাঝে পড়ে না!
//Epstein Files//
সরাসরি বলতে গেলে, পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী ইয়েমেনে হুথিদের বিপক্ষে সাঊদি ও অন্যান্যদের শক্তিশালী সহায়তা দিচ্ছে বলে এখানে তুলে ধরা হয়েছে।
ধন্যবাদ।
Comments
Post a Comment