Skip to main content

 আমি ওসমান হাদী ভাইকে তেল আবিব, লণ্ডন, ওয়াশিংটন হয়ে দিল্লি থেকে হত্যা করা হয়েছে বলেছিলাম। সেখানে আমাকে বলা হয় যে, ওসমান হাদী ভাই এমন বড় কিছু হয়ে যান নাই যে, তাঁকে ওসব জায়গা থেকে নিষ্ক্রিয় করার আদেশ পাঠানো হবে। তাহলে বলি, শুনুন।


'৫৮ সালের কথা। ১৯৫৮ সাল। মিসর থেকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে শিক্ষার প্রচার ও প্রসারের জন্য শিক্ষক পাঠানো হচ্ছিল। সাঊদি আরাবিয়া, লিবিয়া, ইরাক, জর্ডান, সিরিয়া ও লিবিয়ার মতো দেশে মিসরের শিক্ষকরা তখন এসব দেশের মানুষকে পড়াশোনা করানোর জন্য যাচ্ছিলেন। বৃটিশ মিলিটারি ইন্টেলিজেন্স বিষয়টি নিয়ে রিপোর্ট তৈরি করে।


রিপোর্টের শিরোনাম ছিল "The Subversive Potential of Egyptian Teachers in the Middle East and Africa!"


রিপোর্টে বলা হয় যে, মিসরের শিক্ষার মান অন্যান্য আরব দেশের তুলনায় উন্নত হওয়ার কারণে এসমস্ত শিক্ষকদের হাত ধরে সমগ্র আরব ও আফ্রিকা ভূখণ্ডে মিসরের প্রভাব বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইরাক, জর্ডান ও লিবিয়ার সরকার এদের কেন্দ্র করে থাকা ঝুঁকির বিষয়ে স্বীকৃতি দিলেও ওসব দেশে এই শিক্ষকদের কোনো উপযুক্ত বিকল্প না থাকায় স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাঁদের বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নিতে পারছে না।


এখন বলি, রিপোর্ট কাদের নিয়ে লেখা হয়েছিল। আলোচ্য রিপোর্টে বৃটিশ ইন্টেলিজেন্স যেসকল শিক্ষকদের কথা বলেছিল, তাঁরা ছিলেন Muslim Brotherhood এর সাথে সংযুক্ত শিক্ষক। বৃটিশ ইন্টেলিজেন্স তাঁদের তৎপরতাকে Subversion হিসাবে চিহ্নিত করে। যেখানে মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার কোন দেশে কতজন এমন শিক্ষক নিয়োজিত রয়েছেন, তারও সুনির্দিষ্ট সংখ্যা রিপোর্টে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।


আমি, আপনি মানতে চাই অথবা না চাই, বৃটেন আমাদের এখনও ওদের কলোনি হিসাবে দেখে। আমাদের সমগ্র সিকিঊরিটি অ্যাপারাটাস ওদের হাতে গড়া। আমি মনে করছি ১৯৪৭ সালে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি! কক্ষনো না! ওরা কাঊন্টার ইনসার্জেন্সি অ্যাপারাটাস তৈরি করেছে। এরপর দায়িত্ব হস্তান্তর করে চলে গিয়েছে। ওসমান হাদীর মতো মাঝেমধ্যে দু'য়েকজন যখন অদৃশ্য এই শৃঙ্খলের অস্তিত্ব টের পেয়ে যান, তখন তাঁদের নামে এমন একটি রিপোর্ট তৈরি হয়। এরপর ওদের অ্যাকশন আর্মের টার্গেটারের কাছে অথরিটি হ্যাণ্ড-অফ করা হয়।


বিগত ২০০ বছর আমরা পরাধীন রয়েছি।


ধন্যবাদ।

Comments

Popular posts from this blog

 রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন চুপ্পু Kaler Kantho এর কাছে গেলো অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে ওনার বঙ্গভবনে অবস্থানের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। উনি বলেন যে, বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী ওনাকে তখন সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেন। "সশস্ত্র বাহিনী আমাকে স্রেফ একটি কথা বলেছিল। তা হলো, মহামান্য! আপনি সামরিক বাহিনীর সর্বাধিকনায়ক! আপনার পরাজয়ের অর্থ সমগ্র সামরিক বাহিনীর পরাজয়। আর আমরা যেকোনো মূল্যে সেটি রুখে দেওয়ার চেষ্টা করব! শেষে ওনারা তাই করেছেন। ওনারা বিভিন্ন সময়ে এসেছেন, আমাকে মানসিক শক্তি জুগিয়েছেন।" অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একবার রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিনকে ওনার পদ হতে সরাতে চেয়েছিল। তখন Chief of Army Staff, Chief of Naval Staff ও Chief of Air Staff তথা বাংলাদেশের তিন বাহিনীর প্রধান রুখে দাঁড়ান ও Muhammad Yunus কে বলেন যে, "আমরা সংবিধানের বিপরীত কোনো কার্যকলাপ সংঘটিত হতে দিব না!" যখন বঙ্গভবনের সামনে অজ্ঞাতনামা পরিচয়ের মানুষ রাষ্ট্রপতির পতনের দাবি নিয়ে জড়ো হয়েছিল, তখনো সামরিক বাহিনী উপরোক্ত অবস্থান ধরে রাখে। Party-BNP এর শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উক্ত সময়টিতে বিনা দ্বিধায় রাষ্ট্রপতির পাশে ছিলেন মর্মেও জা...
 [সতর্ক অবস্থানে ও সম্মানজনক পরিবেশে অডিও চালুর অনুরোধ রাখা হলো] "Will you invoke ba'al and forsake The Best of Artisans!" দুনিয়ার বুকে Jeffrey Epstein ও ওর বন্ধুদের শত্রুতা কেন ফিলিস্তিন, ইরাক, সিরিয়া, ইয়েমেন, আফ্রিকা, আফগানিস্তান, পাকিস্তান, কাশ্মির, আরাকান, বাংলাদেশ, ফিলিপাইন, উইঘুরে স্রেফ মুসলমানদের সাথে তাঁর জবাব এখানেই আছে। For context, Epstein ছিল বা'আলের পূজারি। অন্তত তেমনটিই বর্তমানে বিশ্লেষকদের ধারণা। আর, নিচে কুরআনুল কারিমের আয়াত।  "তোমরা কি বা'আলকে ডাকবে এবং পরিত্যাগ করবে সর্বোত্তম সৃষ্টিকর্তা আল্লাহকে!" মেক্সিকোয় একজন বিচারক এক নারী, শিশু, মানব পাচারকারীর বিচার করছিলেন। একজন গুপ্তঘাতক তাকে গুলি করে। জানা যায় যে, শুটার আমেরিকান। এর আগে কেসের দায়িত্বে থাকা Mexican Intelligence Community এর অফিসার ও তার পার্টনারকে ০৪ বার গুপ্তহত্যার চেষ্টা চালানো হয়। তার পার্টনার সেসময় ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ০২ জন মার্কিন ইন্টেলিজেন্স অপারেটিভকে হত্যা এবং ০৫ জনকে আহত করেন। এই দু'জন মেক্সিকান ইন্টেলিজেন্স অফিসারকে তখন মেক্সিকোর ইঊ.এস দূতাবাসের ডিপ্লোম্যাটিক প্লেট ...
 ডক্টর আফিয়া সিদ্দিকীকে পাকিস্তান সরকার ৫৫,০০০ মার্কিন ডলারের বিনিময়ে United States Intelligence Community (USIC) এর কাছে বিক্রি করেছিল Inter Services Intelligence (ISI)। জানিয়েছেন ডক্টর আফিয়া সিদ্দিকীর আইনজীবী। পাকিস্তানি ইন্টেলিজেন্স কমিঊনিটির জন্য অর্থের লোভে নিরপরাধ পাকিস্তানি নাগরিকদের বন্দি করে বিক্রি করা অবশ্য মোটেও অস্বাভাবিক কিছু না। ISI এর অফিসারদের CIA এর কাছে মানুষ বিক্রি করার এই স্বভাব এতখানি ভয়ানক পৈশাচিক পর্যায়ে গিয়ে দাঁড়িয়েছিল যে, খোদ CIA একটা সময়ে ইসলামাবাদকে জানায় যে, এভাবে আর কাউকে বন্দি করা হলে আমরা অর্থ পরিশোধ করতে পারব না। এখন থেকে তোমাদের কাছে কেউ থাকলে তোমরা কোনো বিনিময় ছাড়া তাঁকে আমাদের হাতে তুলে দিবে। কারণ, CIA দেখছিল যে, পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদী আখ্যা দিয়ে ওদের হাতে যাদেরকে তুলে দিচ্ছে, তাঁদের বড় একাংশ একেবারেই সাধারণ মানুষ। ফলে, CIA বুঝতে পারে যে, ISI অফিসাররা মূলত আমেরিকানদের পরিশোধিত টাকার লোভে পড়ে সাধারণ মানুষকে ধরে এনে ওদের হাতে উঠিয়ে দিচ্ছে। ওদের ধোঁকা দিয়ে সোজা কথায় পুরোপুরি নিরীহ, অসহায় মানুষদের নির্যাতন করিয়ে Scam করছে। ফলে, আমেরিকানরা পাকিস্তানিদ...