Skip to main content

 Unified Command of Iranian Armed Forces রিপোর্ট করেছিল গতকাল যে, ভূপাতিত যুদ্ধবিমানে থাকা সামরিক কর্মকর্তাদের উদ্ধারকালে United States Air Force এর হামলায় ওদের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ও কর্নেল পদবির কর্মকর্তা সহ একাধিক পদস্থ সামরিক কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন।


অনেকে ভেবে পাচ্ছেন না যে, এটা কিভাবে হতে পারে। কারণ, ওয়ান_স্টার জেনারেল অথবা কর্নেল পদবির কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে নেতৃত্ব দেন না। এটার ব্যাখ্যা Combat Search and Rescue Task Force (CSARTF) নিয়ে আমার গতদিনের লেখাটি পড়লে বোঝা সম্ভব হতো আপনাদের। যার ভেতরে আমি বলেছি যে, CSARTF কমপ্লেক্স আকার ধারণ করলে এর ভেতরে Air Force Global Strike Command (AFGSC) ওদের বিভিন্ন ভারী বোমারূ বিমান নিয়ে অবস্থান নেয়। এবং এর লক্ষ্যবস্তু হয় শত্রুর নিকটবর্তী নানান গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তু।


গতকাল Donald J. Trump নিজেও স্বীকার করেছে যে, অপারেশন চলাকালীন B-2 Spirit হতে The GBU-57 Massive Ordnance Penetrator (MOP) দ্বারা হামলা চালানো হয়েছিল। যার লক্ষ্যবস্তু ছিলো ভূ-গর্ভস্থ কমাণ্ড সেন্টারে থাকা ইরানি সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তারা।


CSARTF নিয়ে আমি যা লিখেছিলাম, সেটি এর ঠিক নিচের লেখাটিতে আছে। পড়ে নিবেন আশা করি।


ধন্যবাদ।


==============================


বেঞ্জামিন রবার্টস স্মিথ, ভিক্টোরিয়া ক্রস, মেডাল ফর গ্যালান্ট্রি, স্পেশাল এয়ার সার্ভিস রেজিমেন্ট, কর্পোরাল, অস্ট্রেলিয়ান ডিফেন্স ফোর্সেসকে ০৫টি পৃথক যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে।


অস্ট্রেলিয়ার Special Air Service Regiment (SASR) এর অপারেটর ও New York Post এর মতে অস্ট্রেলিয়ার "Most decorated living veteran"। যার ভিক্টোরিয়া ক্রস আমাদের বীরশ্রেষ্ঠর সমতূল্য। এই অপারেটরের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের মাঝে একটি হলো, সে একজন আফগান কৃষককে হাত বাঁধা অবস্থায় লাথি মেরে পাহাড় হতে ছুড়ে ফেলেছিল।


এরপর মানুষটির মাথায় গুলি করার জন্য একজন জুনিয়র অপারেটরকে আদেশ করে সে। তারপর তাঁর লাশের পাশে একটি রেডিও রেখে দেয়, যেন তিনি তালিবান বলে চিহ্নিত হন। মানুষটার নাম ছিল আলি জান।


ধন্যবাদ।

Comments

Popular posts from this blog

 রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন চুপ্পু Kaler Kantho এর কাছে গেলো অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে ওনার বঙ্গভবনে অবস্থানের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। উনি বলেন যে, বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী ওনাকে তখন সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেন। "সশস্ত্র বাহিনী আমাকে স্রেফ একটি কথা বলেছিল। তা হলো, মহামান্য! আপনি সামরিক বাহিনীর সর্বাধিকনায়ক! আপনার পরাজয়ের অর্থ সমগ্র সামরিক বাহিনীর পরাজয়। আর আমরা যেকোনো মূল্যে সেটি রুখে দেওয়ার চেষ্টা করব! শেষে ওনারা তাই করেছেন। ওনারা বিভিন্ন সময়ে এসেছেন, আমাকে মানসিক শক্তি জুগিয়েছেন।" অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একবার রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিনকে ওনার পদ হতে সরাতে চেয়েছিল। তখন Chief of Army Staff, Chief of Naval Staff ও Chief of Air Staff তথা বাংলাদেশের তিন বাহিনীর প্রধান রুখে দাঁড়ান ও Muhammad Yunus কে বলেন যে, "আমরা সংবিধানের বিপরীত কোনো কার্যকলাপ সংঘটিত হতে দিব না!" যখন বঙ্গভবনের সামনে অজ্ঞাতনামা পরিচয়ের মানুষ রাষ্ট্রপতির পতনের দাবি নিয়ে জড়ো হয়েছিল, তখনো সামরিক বাহিনী উপরোক্ত অবস্থান ধরে রাখে। Party-BNP এর শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উক্ত সময়টিতে বিনা দ্বিধায় রাষ্ট্রপতির পাশে ছিলেন মর্মেও জা...
 [সতর্ক অবস্থানে ও সম্মানজনক পরিবেশে অডিও চালুর অনুরোধ রাখা হলো] "Will you invoke ba'al and forsake The Best of Artisans!" দুনিয়ার বুকে Jeffrey Epstein ও ওর বন্ধুদের শত্রুতা কেন ফিলিস্তিন, ইরাক, সিরিয়া, ইয়েমেন, আফ্রিকা, আফগানিস্তান, পাকিস্তান, কাশ্মির, আরাকান, বাংলাদেশ, ফিলিপাইন, উইঘুরে স্রেফ মুসলমানদের সাথে তাঁর জবাব এখানেই আছে। For context, Epstein ছিল বা'আলের পূজারি। অন্তত তেমনটিই বর্তমানে বিশ্লেষকদের ধারণা। আর, নিচে কুরআনুল কারিমের আয়াত।  "তোমরা কি বা'আলকে ডাকবে এবং পরিত্যাগ করবে সর্বোত্তম সৃষ্টিকর্তা আল্লাহকে!" মেক্সিকোয় একজন বিচারক এক নারী, শিশু, মানব পাচারকারীর বিচার করছিলেন। একজন গুপ্তঘাতক তাকে গুলি করে। জানা যায় যে, শুটার আমেরিকান। এর আগে কেসের দায়িত্বে থাকা Mexican Intelligence Community এর অফিসার ও তার পার্টনারকে ০৪ বার গুপ্তহত্যার চেষ্টা চালানো হয়। তার পার্টনার সেসময় ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ০২ জন মার্কিন ইন্টেলিজেন্স অপারেটিভকে হত্যা এবং ০৫ জনকে আহত করেন। এই দু'জন মেক্সিকান ইন্টেলিজেন্স অফিসারকে তখন মেক্সিকোর ইঊ.এস দূতাবাসের ডিপ্লোম্যাটিক প্লেট ...
 ডক্টর আফিয়া সিদ্দিকীকে পাকিস্তান সরকার ৫৫,০০০ মার্কিন ডলারের বিনিময়ে United States Intelligence Community (USIC) এর কাছে বিক্রি করেছিল Inter Services Intelligence (ISI)। জানিয়েছেন ডক্টর আফিয়া সিদ্দিকীর আইনজীবী। পাকিস্তানি ইন্টেলিজেন্স কমিঊনিটির জন্য অর্থের লোভে নিরপরাধ পাকিস্তানি নাগরিকদের বন্দি করে বিক্রি করা অবশ্য মোটেও অস্বাভাবিক কিছু না। ISI এর অফিসারদের CIA এর কাছে মানুষ বিক্রি করার এই স্বভাব এতখানি ভয়ানক পৈশাচিক পর্যায়ে গিয়ে দাঁড়িয়েছিল যে, খোদ CIA একটা সময়ে ইসলামাবাদকে জানায় যে, এভাবে আর কাউকে বন্দি করা হলে আমরা অর্থ পরিশোধ করতে পারব না। এখন থেকে তোমাদের কাছে কেউ থাকলে তোমরা কোনো বিনিময় ছাড়া তাঁকে আমাদের হাতে তুলে দিবে। কারণ, CIA দেখছিল যে, পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদী আখ্যা দিয়ে ওদের হাতে যাদেরকে তুলে দিচ্ছে, তাঁদের বড় একাংশ একেবারেই সাধারণ মানুষ। ফলে, CIA বুঝতে পারে যে, ISI অফিসাররা মূলত আমেরিকানদের পরিশোধিত টাকার লোভে পড়ে সাধারণ মানুষকে ধরে এনে ওদের হাতে উঠিয়ে দিচ্ছে। ওদের ধোঁকা দিয়ে সোজা কথায় পুরোপুরি নিরীহ, অসহায় মানুষদের নির্যাতন করিয়ে Scam করছে। ফলে, আমেরিকানরা পাকিস্তানিদ...