Skip to main content

 EBRC 'তে ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে রিক্রুট সৈনিকদের ওপর Pakistan Army এর পরিচালিত গণহত্যা নিয়ে লিখেছিলাম। সেখানে কিছু মানুষ বিতর্ক দাঁড় করাবার চেষ্টা করেন যে, Indian Intelligence Community আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীদের ব্যবহার করে বিহারি জনগোষ্ঠীর ওপর নির্যাতন চালিয়েছিল। সুতরাং, এই কারণে পাকিস্তান আর্মির দ্বারা বাঙালিদের ওপর তখনকার গৃহীত নানান বীভৎস পদক্ষেপে আসলে খুব দোষ নাই!


ওসব মানুষদের জন্য নিচের লেখায় আমি প্রশ্ন রাখব মাত্র দু'টি। এই প্রশ্ন তাদের জন্য, যারা একপক্ষের ঘৃণ্য অপরাধকে কারণ হিসাবে দেখিয়ে ঐ ঘৃণ্য গণহত্যাকে বৈধতা প্রদানের চেষ্টা করেছেন।


০১|

তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের Unified Commander, Eastern Military High Command (EMHC) ছিলেন Lieutenant General Sahabzada Yaqub Khan। পদবি অনুযায়ী পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ হতে পূর্ব পাকিস্তানে নিয়োজিত সর্বোচ্চ সামরিক অধিনায়ক। যে মানুষটা পূর্ব পাকিস্তান সম্পর্কে সমগ্র পাকিস্তান সরকারের মাঝে সবচেয়ে বেশি ধারণা রাখতেন।


আমাদের এই ইতিহাস সুদীর্ঘ। তবে, আমি সংক্ষেপে তুলে ধরছি। Lt Gen Yaqub 'কে আদেশ করা হয়েছিল যে, পূর্ব পাকিস্তানে সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণের দ্বারা সেখানকার পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। তিনি সরাসরি কঠোরভাবে এটার বিরোধিতা করেন। অতঃপর, যখন তিনি দেখলেন যে, রাওয়ালপিণ্ডি তাঁর কথার সামান্যতম মূল্য দিতে রাজি নয়, বরঞ্চ ওরা সামরিক পদক্ষেপ নিতে বদ্ধপরিকর। তখন ১৯৭১ সালের মার্চ মাসের ০৫ তারিখে তিনি সরাসরি পদত্যাগ করেন।


যার মাত্র ০৪ দিন পূর্বে পদত্যাগ করেছিলেন তাঁর পূর্বসূরী Vice Admiral Syed Mohammad Ahsan, Pakistan Navy। ইতিপূর্বে পাকিস্তান নৌবাহিনীর প্রধান হিসাবে নিয়োজিত এই সামরিক কর্মকর্তা সামরিক জীবনের শুরুর দিকে ছিলেন স্বয়ং মুহাম্মাদ আলি জিন্নাহর aide-de-camp (ADC)।


জিন্নাহর খুব স্নেহের ও কাছের মানুষ বলে পরিচিতি পাওয়া আলোচ্য নৌ-বাহিনী কর্মকর্তা Lt Gen Yaqub Khan এর আগে পূর্ব পাকিস্তান অঞ্চলের গভর্নর ও Unified Commander হিসাবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তারপর '৭১ সালের ০১লা মার্চ তারিখে তিনি যখন দেখলেন যে, রাওয়ালপিণ্ডি পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের রক্ত না ঝরিয়ে ক্ষান্ত হতে প্রস্তুত না, তখন তিনি নিজের পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে কমাণ্ড ত্যাগ করে প্রস্থান করে যান।


তাহলে, আমি প্রশ্ন রাখব এবার। প্রশ্ন হলো, মুহাম্মাদ আলি জিন্নাহর সবচেয়ে স্নেহের ও বিশ্বস্ত আলোচ্য সামরিক কর্মকর্তাটির কি পাকিস্তান রাষ্ট্রেের প্রতি ভালোবাসার খুব কমতি হয়ে গিয়েছিল! নাকি পূর্ব পাকিস্তানের সত্যিকার পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি কিছুই জানতেন না!


বাস্তবতা হলো, তিনি ছিলেন পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর ভেতরে পূর্ব পাকিস্তানের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বিশেষজ্ঞ। তাঁর কমাণ্ড ছিল পূর্ব পাকিস্তান অঞ্চল। পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনী চৌকস ও দেশপ্রেমিক কোনো প্রতিষ্ঠান হয়ে থাকলে, অত্র অঞ্চলে যেকোনো মিলিটারি অপারেশনের পরিচালনার বিষয়ে তাঁর পরামর্শ চূড়ান্ত বলে গৃহীত হতো।


তারপর দেখে আসা যাক Lt Gen Sahabzada Yaqub Khan এর বিষয়টি। যিনি ছিলেন মুহাম্মাদ আলি জিন্নাহর সিকিঊরিটি চিফ। পূর্ব পাকিস্তান বিষয়ে নেভির ভাইস অ্যাডমিরাল আহসানের সাথে সাথে আর্মি থেকে তাঁকে অন্যতম বিশেষজ্ঞ বলে মনে করা হতো। পাকিস্তান আর্মির সদরদপ্তর একটা পর্যায় পর্যন্ত তাঁর অত্র অঞ্চল বিষয়ক মতামতকে সম্মানের সাথে দেখতো। তাহলে, জিন্নাহর প্রধান দেহরক্ষী হিসাবে দায়িত্ব পালনকারী এই সামরিক কর্মকর্তা ঠিক কি কারণে নিজের এতখানি বিরাট পদবি ছেড়ে দিয়ে সরাসরি নিজের বাহিনী থেকেই বের হয়ে গেলেন! তিনি কি তবে নির্বোধ ছিলেন!


আলোচিত দু'জন নির্বোধ সামরিক কর্মকর্তাদের মাঝে একজন অবশ্য পাকিস্তানের Inter Services Intelligence (ISI) এর অন্যতম ফাঊণ্ডার। তাঁর নাম ভাইস অ্যাডমিরাল আহসান। তিনি পাকিস্তানের Naval Intelligence এর সর্বপ্রথম Director General ছিলেন। ১৯৪৮ সালে এই পদবি ধারণ করে তিনি পাকিস্তানের নেভাল ইন্টেলিজেন্স গড়ে তোলেন। এরপর ১৯৫২ সালে Deputy Director of Naval Intelligence হিসাবে সদ্য জন্ম হতে চলা ISI এর গোয়েন্দা তৎপরতা পরিচালনা বিষয়ক পদ্ধতি ও কলা-কৌশল নির্ধারণ এবং সংস্থার প্রথম প্রজন্মের কর্মকর্তাদের রিক্রুট করা বিষয়ক সমগ্র প্রক্রিয়াতে তিনি বিস্তর অবদান রাখেন।


১৯৬৫ সালে ইণ্ডিয়ার সাথে যুদ্ধের সময়ে পাকিস্তান নেভাল ইন্টেলিজেন্স পুনরায় তাঁকে ডিরেক্টর জেনারেল করে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য ফিরিয়ে আনে। এরপর ১৯৬৬ সালে Chief of Naval Staff হওয়ার পর তাঁর হাত ধরে আলোচ্য ইন্টেলিজেন্স সার্ভিসের ব্যাপক আধুনিকায়ন হয় ও বিস্তৃত আকার ধারণ করে। গুপ্তচরবৃত্তি বিষয়ক তৎপরতায় তাঁর ব্যাপক দক্ষতা ও সুনামের কারণে সামরিক বাহিনীর মাঝে তাঁর প্রচণ্ড সুখ্যাতি ছিল।


ওপরে আমাদের আলোচিত আরেকজন তিন তারকা জেনারেল সাহেবযাদা ইয়াকুব খান আবার Military Intelligence (MI) এর অফিসার ছিলেন। যিনি কিনা Inter Services Intelligence এর Joint Intelligence X (JIX) শাখার পক্ষ থেকে নানান রকমের তৎপরতা পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে '৬৫ সালের যুদ্ধ শুরু হলে সর্বপ্রথম আর্মির 1st Armoured Division এর কমাণ্ড নিয়ে যুদ্ধে অংশগ্রহণ ও তারপর Director General of Military Operations (DGMO) হিসাবে ইণ্ডিয়ান আর্মড ফোর্সেসের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান পরিচালনার তত্বাবধানে ছিলেন তিনি।


আমার প্রশ্ন হলো, আজকে যারা আমাদের পূর্ব বাংলায় পাকিস্তানি গণহত্যার স্বপক্ষে বক্তৃতা দাঁড় করান, আপনারা মূলত কি এমন বুঝেছেন, যা কিনা এই দু'জন কিংবদন্তী সামরিক কর্মকর্তা বুঝতে ব্যর্থ হয়েছিলেন!


    (Resignation of Pakistan Eastern Command)


পূর্ব পাকিস্তানে বিমানবাহিনীর দায়িত্বে পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর যে কর্মকর্তা ছিলেন, তাঁর পরিচয় হলো, Air Commodore Muhammad Zafar Masud। Hilal-e-Jurat, Sitara-e-Basalat। Air Officer Commanding Pakistan Air Force, Eastern Air Command।


হিলালে জুর'আত! সিতারায়ে বাসালাত। তাঁর তুলনায় পাকিস্তানের জন্য আপনার দরদ বেশি হয়ে গিয়েছে কি! এয়ার কমোডর মুহাম্মাদ জাফর মাসুদকে মনে করা হতো পাকিস্তানের ভবিষ্যৎ বিমানবাহিনী প্রধান। পূর্ব পাকিস্তানে আগমন করার পূর্বে তিনি ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত এয়ার হেডকোয়ার্টার্স, পাকিস্তান এয়ারফোর্সে সমগ্র পাকিস্তানের Director General of Air Operations (DGAO) হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।


তিনিও পূর্ব পাকিস্তানে গৃহীত পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনীর পদক্ষেপ মানতে পারেননি। রাষ্ট্রপতি ইয়াহিয়া খানকে পূর্ব পাকিস্তানে সামরিক পদক্ষেপ না নেওয়ার জন্য বোঝাবার বহু চেষ্টা করে যখন তিনি ব্যর্থ হন, তারপর এই লিজেণ্ডারি ফাইটার পাইলট ২৬শে মার্চ নিজের কমাণ্ড হস্তান্তর করেন। শেষপর্যন্ত জুলাইয়ে তিনি সরাসরি বিমানবাহিনী ছেড়েই পদত্যাগ করে চলে যান।


কিন্তু, কেন! ঠিক কি হয়েছিল যে, একজন হিলালে জুর'আত অমন যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির মাঝে তাঁর দেশের মাটিতে বিচ্ছিন্নতাবাদ দমন করতে অস্বীকার করে পদত্যাগ করলেন! তিনি কি বুঝেন ব্যর্থ হয়েছিলেন, যা আজ আপনি বুঝে গিয়েছেন!


০২|

দ্বিতীয়টি আসলে খুব ছোট্ট প্রশ্ন। আমাদের মাঝে যারা চিৎকার করেন যে, Indian Intelligence Community আওয়ামী লীগের সাথে সংযুক্ত সন্ত্রাসীদের লেলিয়ে দিয়ে বিহারি জনগোষ্ঠীর ওপর নির্যাতন চালিয়েছিল। সুতরাং, পাকিস্তান আর্মির তখনকার গৃহীত সকল বীভৎস পদক্ষেপ সম্পূর্ণ বৈধ।


পূর্ব পাকিস্তানের মুসলিম বাঙালি জনসাধারণ কি পাকিস্তান নামক রাষ্ট্রের নাগরিক ছিল না! পূর্ব পাকিস্তান কি পাকিস্তানের অংশ ছিল না! তাহলে, যদি এটি আসলে পাকিস্তান হয়ে থাকে, তাহলে, সুনির্দিষ্টভাবে ওসব সন্ত্রাসীদের নির্মূল করে সমগ্র পাকিস্তানে শান্তি ফিরিয়ে আনা কি পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের অধিকার ছিল না! অথচ, পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনী তা করতে চরম ব্যর্থ হয়েছে। পৃথিবীর কোনো দেশের ভেতরে ঢুকে একটি ফরেন ইন্টেলিজেন্স অর্গানাইজেশন যখন অস্থিতিশীলতা ও দাঙ্গা সংঘটন করতে সমর্থ হয়, তখন তা দেশটির নিজস্ব ইন্টেলিজেন্স কমিঊনিটির জন্য চরম ব্যর্থতা বলে বিবেচিত হয়। যার দায় কোনোক্রমে কোনো নির্দিষ্ট জাতিগোষ্ঠীর ওপর পড়তে পারে না।


সেক্ষেত্রে নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকবার জন্য পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনী আমাদের সমগ্র জাতির ওপর Collective Punishment চাপিয়ে দিল! "আমি এই বেজন্মা জাতির বংশপরিচয় পাল্টে দিব" হুমকি দিয়ে বলেছিল Lieutenant General Niazi। বলেছিল যে, আমাদের নারীদের ওপর সে নিজের সৈনিকদের ছেড়ে দিবে! মেজর জেনারেল খাদিম হুসাঈন রাজার বইয়ে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে এটি। দরকার হলে পড়ে নিবেন দয়া করে।


তাহলে, আমাদের চিন্তা করে দেখার বিষয়। ঠিক কি এমন হয়েছিল যে, Major Ziaur Rahman, Hilal-e-Jurat এর মতো সামরিক কর্মকর্তা স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন। Air Commodore Muhammad Zafar Masud, Hilal-e-Jurat, Sitara-e-Basalat পদত্যাগ করে বিদায় নিয়েছিলেন। পাকিস্তান ইস্টার্ন কমাণ্ডের মূল কমাণ্ডাররা সকলে রাওয়ালপিণ্ডির নির্দেশনার প্রতিবাদ জানিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন। সেদিন পাকিস্তান হতে স্রেফ পূর্ব পাকিস্তান হারায়নি, পাকিস্তান আর্মড ফোর্সেস হারিয়েছে নিজের স্বকীয়তা, স্বাধীনতা ও গতিপথ। ভাইস অ্যাডমিরাল আহসান, লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইয়াকুব, এয়ার কমোডর মিট্টি মাসঊদদের মতো দেশপ্রেমিক কর্মকর্তাদের পথ থেকে সরে গিয়ে সেদিন হতে পাকিস্তানি সশস্ত্র বাহিনী পরিণত হয়েছে আজকের নরখাদকে। যারা Donald J. Trump এর প্রিয় বাহিনী। যাদের কারণে পাকিস্তান নিঊক্লিয়ার ওয়েপন্স নিয়ে গাজার গণহত্যা সংঘটিত হতে দেয়। যাদের কারণে পাকিস্তান Board of Peace এর সদস্য হয়। যাদের কারণে Imran Khan বিনা চিকিৎসায় কারাগারে ধুঁকতে থাকেন। যাদের কারণে পাকিস্তান ইণ্ডিয়ার সাথে মিলে কাশ্মিরে স্বাধীনতাকামী নিধন করে।


তবে, প্রশ্ন তোলার সময় একটি বিষয় খুব স্মরণে রাখতে হবে যে, এটি কিন্তু জাতিগতভাবে পশ্চিম পাকিস্তানের দোষ নয়! পশ্চিম পাকিস্তান নিজেও ওদের থাবায় বন্দি। নতুবা জেনারেল ইয়াকুব, অ্যাডমিরাল আহসান ও এয়ার কমোডর মাসঊদ কিন্তু ঐ একই ভূখণ্ডের সন্তান ছিলেন। যাদের হারিয়ে পথ হারিয়েছে ওরা।


ধন্যবাদ।

Comments

Popular posts from this blog

 রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন চুপ্পু Kaler Kantho এর কাছে গেলো অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে ওনার বঙ্গভবনে অবস্থানের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। উনি বলেন যে, বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী ওনাকে তখন সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেন। "সশস্ত্র বাহিনী আমাকে স্রেফ একটি কথা বলেছিল। তা হলো, মহামান্য! আপনি সামরিক বাহিনীর সর্বাধিকনায়ক! আপনার পরাজয়ের অর্থ সমগ্র সামরিক বাহিনীর পরাজয়। আর আমরা যেকোনো মূল্যে সেটি রুখে দেওয়ার চেষ্টা করব! শেষে ওনারা তাই করেছেন। ওনারা বিভিন্ন সময়ে এসেছেন, আমাকে মানসিক শক্তি জুগিয়েছেন।" অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একবার রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিনকে ওনার পদ হতে সরাতে চেয়েছিল। তখন Chief of Army Staff, Chief of Naval Staff ও Chief of Air Staff তথা বাংলাদেশের তিন বাহিনীর প্রধান রুখে দাঁড়ান ও Muhammad Yunus কে বলেন যে, "আমরা সংবিধানের বিপরীত কোনো কার্যকলাপ সংঘটিত হতে দিব না!" যখন বঙ্গভবনের সামনে অজ্ঞাতনামা পরিচয়ের মানুষ রাষ্ট্রপতির পতনের দাবি নিয়ে জড়ো হয়েছিল, তখনো সামরিক বাহিনী উপরোক্ত অবস্থান ধরে রাখে। Party-BNP এর শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উক্ত সময়টিতে বিনা দ্বিধায় রাষ্ট্রপতির পাশে ছিলেন মর্মেও জা...
 [সতর্ক অবস্থানে ও সম্মানজনক পরিবেশে অডিও চালুর অনুরোধ রাখা হলো] "Will you invoke ba'al and forsake The Best of Artisans!" দুনিয়ার বুকে Jeffrey Epstein ও ওর বন্ধুদের শত্রুতা কেন ফিলিস্তিন, ইরাক, সিরিয়া, ইয়েমেন, আফ্রিকা, আফগানিস্তান, পাকিস্তান, কাশ্মির, আরাকান, বাংলাদেশ, ফিলিপাইন, উইঘুরে স্রেফ মুসলমানদের সাথে তাঁর জবাব এখানেই আছে। For context, Epstein ছিল বা'আলের পূজারি। অন্তত তেমনটিই বর্তমানে বিশ্লেষকদের ধারণা। আর, নিচে কুরআনুল কারিমের আয়াত।  "তোমরা কি বা'আলকে ডাকবে এবং পরিত্যাগ করবে সর্বোত্তম সৃষ্টিকর্তা আল্লাহকে!" মেক্সিকোয় একজন বিচারক এক নারী, শিশু, মানব পাচারকারীর বিচার করছিলেন। একজন গুপ্তঘাতক তাকে গুলি করে। জানা যায় যে, শুটার আমেরিকান। এর আগে কেসের দায়িত্বে থাকা Mexican Intelligence Community এর অফিসার ও তার পার্টনারকে ০৪ বার গুপ্তহত্যার চেষ্টা চালানো হয়। তার পার্টনার সেসময় ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ০২ জন মার্কিন ইন্টেলিজেন্স অপারেটিভকে হত্যা এবং ০৫ জনকে আহত করেন। এই দু'জন মেক্সিকান ইন্টেলিজেন্স অফিসারকে তখন মেক্সিকোর ইঊ.এস দূতাবাসের ডিপ্লোম্যাটিক প্লেট ...
 ডক্টর আফিয়া সিদ্দিকীকে পাকিস্তান সরকার ৫৫,০০০ মার্কিন ডলারের বিনিময়ে United States Intelligence Community (USIC) এর কাছে বিক্রি করেছিল Inter Services Intelligence (ISI)। জানিয়েছেন ডক্টর আফিয়া সিদ্দিকীর আইনজীবী। পাকিস্তানি ইন্টেলিজেন্স কমিঊনিটির জন্য অর্থের লোভে নিরপরাধ পাকিস্তানি নাগরিকদের বন্দি করে বিক্রি করা অবশ্য মোটেও অস্বাভাবিক কিছু না। ISI এর অফিসারদের CIA এর কাছে মানুষ বিক্রি করার এই স্বভাব এতখানি ভয়ানক পৈশাচিক পর্যায়ে গিয়ে দাঁড়িয়েছিল যে, খোদ CIA একটা সময়ে ইসলামাবাদকে জানায় যে, এভাবে আর কাউকে বন্দি করা হলে আমরা অর্থ পরিশোধ করতে পারব না। এখন থেকে তোমাদের কাছে কেউ থাকলে তোমরা কোনো বিনিময় ছাড়া তাঁকে আমাদের হাতে তুলে দিবে। কারণ, CIA দেখছিল যে, পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদী আখ্যা দিয়ে ওদের হাতে যাদেরকে তুলে দিচ্ছে, তাঁদের বড় একাংশ একেবারেই সাধারণ মানুষ। ফলে, CIA বুঝতে পারে যে, ISI অফিসাররা মূলত আমেরিকানদের পরিশোধিত টাকার লোভে পড়ে সাধারণ মানুষকে ধরে এনে ওদের হাতে উঠিয়ে দিচ্ছে। ওদের ধোঁকা দিয়ে সোজা কথায় পুরোপুরি নিরীহ, অসহায় মানুষদের নির্যাতন করিয়ে Scam করছে। ফলে, আমেরিকানরা পাকিস্তানিদ...