Pakistan Air Force এর আজকে কাবুলের হাসপাতালে পরিচালিত বিমান হামলা কতখানি নৃশংস ও বীভৎস ছিল যে, এর তুলনা একমাত্র গাজায় Israel Defense Forces এর হাতেগোনা কয়েকটি হামলার সাথে করা চলে।
গাজা ঊপত্যকায় ২৪ ঘন্টা সময়সীমার মাঝে প্রচণ্ড ও টানা বিমান হামলায় সর্বোচ্চ শাহাদাতের সংখ্যা ৭০০ জন। আর, এক রাতের মাঝে সংখ্যাটি ৪৩৬ জন। এক রাতে এভাবে গাজায় ৪০০ জনের বেশি প্রাণ হারানোর ঘটনা সেখানে দীর্ঘসময় ধরে চলমান এই সমগ্র বীভৎস যুদ্ধে মাত্র ০৩ বার ঘটেছে।
যেখানে একটি একক হামলায় ৪৭১ জনের শহীদ হওয়ার ঘটনা ঘটেছিল আমাদের সকলের পরিচিত আল-আহলি হাসপাতালের বম্বিংয়ে। তারপর, আজ কাবুলের মাদকাসক্তি নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে ৪০০ জনের বেশি মানুষকে তারাবিহর কাছাকাছি সময়ে বিমান হামলা করে পাকিস্তান বিমান বাহিনী হত্যা করেছে। যা এমনকি ইসরায়েলিদের জন্যও একটি পূর্ণমাত্রার সংঘাতের সময়ে অস্বাভাবিক বলেই বিবেচিত হয়।
হাসপাতালটি ২,০০০ শয্যার ছিল। এটি পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছে। প্রাণহানি ইসরায়েলিদের ছাড়িয়ে যাওয়ার শক্তিশালী সম্ভাবনা রয়েছে।
ধন্যবাদ।
==============================
Al Jazeera Channel - قناة الجزيرة থেকে পাওয়া রিপোর্ট অনুসারে কাবুলের হাসপাতালে Pakistan Air Force এর বিমান হামলায় নিহত রোগীর সংখ্যা ৪০০ জন অতিক্রম করেছে।
এটি একটি ২,০০০ শয্যা বিশিষ্ট মাদকাসক্তি নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্র ছিল। ফলে, প্রাণহানির সংখ্যা শেষপর্যন্ত কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে বলা মুশকিল। এটি যে হাসপাতাল ছিল তা কট্টর তালিবান বিরোধী সূত্র হতেও নিশ্চিত করা হচ্ছে।
কাবুল সরকারের ওপর আফগান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে পাকিস্তানে হামলার জন্য প্রচণ্ড চাপ তৈরি হতে দেখা যাচ্ছে।
ধন্যবাদ।
==============================
অনলাইনে Israel Defense Forces এর প্রোপাগাণ্ডা পরিচালনার ক্ষেত্রে পরিচিত মুখ ও ইসরায়েলি ইন্টেলিজেন্স কমিঊনিটির সাথে পরোক্ষে সম্পৃক্ত অ্যাকাঊন্ট থেকে আফগানিস্তানের কাবুলে Pakistan Air Force এর বিমান হামলার পক্ষে বিস্তৃত সাফাই দেওয়া হচ্ছে।
পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর সাথে সম্পৃক্তরা যেমনটি বলছে যে, হামলার স্থানটি হাসপাতাল নয়, বরঞ্চ সন্ত্রাসীদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ছিল। ঠিক এই কথাটি Mossad এর পরোক্ষ টুইটার অ্যাকাঊন্ট হতেও ছড়ানো হচ্ছে। আপনারা অধিকাংশ এটিকে চিনে থাকার কথা।
বাস্তবতা হলো, কট্টর তালিবান বিরোধীরাও স্থানটি হাসপাতাল ছিল মর্মে জানিয়েছেন।
ধন্যবাদ।

Comments
Post a Comment