Skip to main content

 আজ United Nations এর সিকিঊরিটি কাঊন্সিলে ইরানের ঊপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর হামলার নিন্দা জানিয়ে একটি রেজুলেশন পাস হয়েছে।


রেজুলেশনটির কো-স্পন্সর ছিল ১৩৫টি দেশ। পাকিস্তান তার মাঝে একটি। এখানে বলা হয়েছে যে,


"these acts constitute a breach of international law and a serious threat to international peace and security"


অর্থাৎ, ইরানের এসব কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন ও বৈশ্বিক শান্তি এবং নিরাপত্তার প্রতি চরম হুমকি।


"demanding that Iran immediately halt the attacks against these countries and fully comply with its obligations under international law, including international humanitarian law (IHL)"


সুতরাং, দাবি জানানো হচ্ছে যে, ইরান তাৎক্ষণিক যেন এসব দেশের ওপর হামলা বন্ধ করে এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি তার দায়বদ্ধতা মেনে চলে। যার মাঝে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।


১৩টি ভোটের মাধ্যমে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে এটি পাস হয়েছে। চীন ও রাশিয়া যেখানে ভোট দেওয়া হতে বিরত ছিল। পাকিস্তান ১৩টি ভোটের মাঝে ০১টি।


আচ্ছা, কাতার, কুয়েত, জর্ডান, বাহরাইন, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সাঊদি আরাবিয়া যদি নিরপেক্ষ হয়ে থাকে ওদের দাবি অনুসারে, তাহলে হামলা কোত্থেকে হচ্ছে! তারা সবাই দাবি করে যে, আমার দেশের মাটি হতে কোনো আগ্রাসী তৎপরতা পরিচালিত হচ্ছে না। ফলে, আমার দেশের ওপরে যেন হামলা না হয়! তাহলে হামলা করছে কি ভূত!


এসব আবার মানুষ বিশ্বাসও করছে! কাতারে United States Central Command এর ফরওয়ার্ড হেডকোয়ার্টার্স! আপনার কি মনে হয়, যুদ্ধ যদি ইরানের সাথে না হয়ে, চীনের সাথে হয়, বা রাশিয়ার সাথে হয় আমেরিকার, কাতারের কি হবে জানা আছে!


ওদের Strategic Rocket Forces যদি নিঊক্লিয়ার এক্সচেঞ্জ আরম্ভ করে, অন্যতম প্রথম নিঊক্লিয়ার ওয়ারহেড, আসলে নিঊক্লিয়ার মিসাইল এসে আমার ধারণা কাতারে পড়তে পারে। এমনকি শান্তিপূর্ণ সময়েও হয়তো কাতারের আল ঊদেইদ রাশিয়া, চীনের নিঊক্লিয়ার ডিটারেন্স প্রোগ্রামের টার্গেট তালিকায় থাকে। ঠিক একই কথা বাহরাইন সহ অত্র অঞ্চলের সমস্ত বৃহৎ মার্কিন সামরিক ঘাঁটির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।


ইরান তো সেখানে কিছুই করতে পারছে না। যুদ্ধ কখনো চীন বা রাশিয়ার সাথে হলে দেখা যাবে কি হয়। তখন বসে বসে মাথার ওপরে ড্রোন ভিডিও করতে হবে না। ইরানের আবাসিক এলাকায় ছোট্ট ড্রোনের হামলা মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছ না! ওরা একেক আঘাতে বাষ্প বানিয়ে দিবে শহরের পর শহর। এটা বাস্তবতা।


ধন্যবাদ।

Comments

Popular posts from this blog

 রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন চুপ্পু Kaler Kantho এর কাছে গেলো অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে ওনার বঙ্গভবনে অবস্থানের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। উনি বলেন যে, বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী ওনাকে তখন সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেন। "সশস্ত্র বাহিনী আমাকে স্রেফ একটি কথা বলেছিল। তা হলো, মহামান্য! আপনি সামরিক বাহিনীর সর্বাধিকনায়ক! আপনার পরাজয়ের অর্থ সমগ্র সামরিক বাহিনীর পরাজয়। আর আমরা যেকোনো মূল্যে সেটি রুখে দেওয়ার চেষ্টা করব! শেষে ওনারা তাই করেছেন। ওনারা বিভিন্ন সময়ে এসেছেন, আমাকে মানসিক শক্তি জুগিয়েছেন।" অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একবার রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিনকে ওনার পদ হতে সরাতে চেয়েছিল। তখন Chief of Army Staff, Chief of Naval Staff ও Chief of Air Staff তথা বাংলাদেশের তিন বাহিনীর প্রধান রুখে দাঁড়ান ও Muhammad Yunus কে বলেন যে, "আমরা সংবিধানের বিপরীত কোনো কার্যকলাপ সংঘটিত হতে দিব না!" যখন বঙ্গভবনের সামনে অজ্ঞাতনামা পরিচয়ের মানুষ রাষ্ট্রপতির পতনের দাবি নিয়ে জড়ো হয়েছিল, তখনো সামরিক বাহিনী উপরোক্ত অবস্থান ধরে রাখে। Party-BNP এর শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উক্ত সময়টিতে বিনা দ্বিধায় রাষ্ট্রপতির পাশে ছিলেন মর্মেও জা...
 [সতর্ক অবস্থানে ও সম্মানজনক পরিবেশে অডিও চালুর অনুরোধ রাখা হলো] "Will you invoke ba'al and forsake The Best of Artisans!" দুনিয়ার বুকে Jeffrey Epstein ও ওর বন্ধুদের শত্রুতা কেন ফিলিস্তিন, ইরাক, সিরিয়া, ইয়েমেন, আফ্রিকা, আফগানিস্তান, পাকিস্তান, কাশ্মির, আরাকান, বাংলাদেশ, ফিলিপাইন, উইঘুরে স্রেফ মুসলমানদের সাথে তাঁর জবাব এখানেই আছে। For context, Epstein ছিল বা'আলের পূজারি। অন্তত তেমনটিই বর্তমানে বিশ্লেষকদের ধারণা। আর, নিচে কুরআনুল কারিমের আয়াত।  "তোমরা কি বা'আলকে ডাকবে এবং পরিত্যাগ করবে সর্বোত্তম সৃষ্টিকর্তা আল্লাহকে!" মেক্সিকোয় একজন বিচারক এক নারী, শিশু, মানব পাচারকারীর বিচার করছিলেন। একজন গুপ্তঘাতক তাকে গুলি করে। জানা যায় যে, শুটার আমেরিকান। এর আগে কেসের দায়িত্বে থাকা Mexican Intelligence Community এর অফিসার ও তার পার্টনারকে ০৪ বার গুপ্তহত্যার চেষ্টা চালানো হয়। তার পার্টনার সেসময় ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ০২ জন মার্কিন ইন্টেলিজেন্স অপারেটিভকে হত্যা এবং ০৫ জনকে আহত করেন। এই দু'জন মেক্সিকান ইন্টেলিজেন্স অফিসারকে তখন মেক্সিকোর ইঊ.এস দূতাবাসের ডিপ্লোম্যাটিক প্লেট ...
 ডক্টর আফিয়া সিদ্দিকীকে পাকিস্তান সরকার ৫৫,০০০ মার্কিন ডলারের বিনিময়ে United States Intelligence Community (USIC) এর কাছে বিক্রি করেছিল Inter Services Intelligence (ISI)। জানিয়েছেন ডক্টর আফিয়া সিদ্দিকীর আইনজীবী। পাকিস্তানি ইন্টেলিজেন্স কমিঊনিটির জন্য অর্থের লোভে নিরপরাধ পাকিস্তানি নাগরিকদের বন্দি করে বিক্রি করা অবশ্য মোটেও অস্বাভাবিক কিছু না। ISI এর অফিসারদের CIA এর কাছে মানুষ বিক্রি করার এই স্বভাব এতখানি ভয়ানক পৈশাচিক পর্যায়ে গিয়ে দাঁড়িয়েছিল যে, খোদ CIA একটা সময়ে ইসলামাবাদকে জানায় যে, এভাবে আর কাউকে বন্দি করা হলে আমরা অর্থ পরিশোধ করতে পারব না। এখন থেকে তোমাদের কাছে কেউ থাকলে তোমরা কোনো বিনিময় ছাড়া তাঁকে আমাদের হাতে তুলে দিবে। কারণ, CIA দেখছিল যে, পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদী আখ্যা দিয়ে ওদের হাতে যাদেরকে তুলে দিচ্ছে, তাঁদের বড় একাংশ একেবারেই সাধারণ মানুষ। ফলে, CIA বুঝতে পারে যে, ISI অফিসাররা মূলত আমেরিকানদের পরিশোধিত টাকার লোভে পড়ে সাধারণ মানুষকে ধরে এনে ওদের হাতে উঠিয়ে দিচ্ছে। ওদের ধোঁকা দিয়ে সোজা কথায় পুরোপুরি নিরীহ, অসহায় মানুষদের নির্যাতন করিয়ে Scam করছে। ফলে, আমেরিকানরা পাকিস্তানিদ...