Jeffrey Epstein রক্ষণশীল ইসলামকে নিজের জন্য বড় হুমকি মনে করতো। একটি Mail থেকে উঠে এসেছে যে, Imran Khan রক্ষণশীল হওয়ায় সে তাঁকে নিজের জন্য হুমকি বলে উল্লেখ করে ও পরবর্তীতে Pakistan Army ইমরান খানকে ক্ষমতাচ্যুত করে দেয়। কারণ, তিনি উপমহাদেশের Status Quo (ইণ্ডিয়া ও পাকিস্তানের সমঝোতার সম্পর্ক) 'কে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন ও ইণ্ডিয়ার হাত থেকে কাশ্মিরকে মুক্ত করতে চেয়েছিলেন।
বর্তমানে পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান জেনারেল আসিম মুনির, ওর পূর্বসূরি জেনারেল বাজওয়া সহ পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনীর অনেক শীর্ষ কর্মকর্তা সহ Inter Services Intelligence (ISI) অফিসিয়াল ইসরায়েলের গুপ্তচর। যার কারণে ওরা পাকিস্তানে ইণ্ডিয়াকে মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের নরমালাইজেশনের অনুকরণে নরমালাইজ করছে। পাকিস্তানের দু'টি নামকরা উচ্চতর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (LUMS ও Punjab University) সম্প্রতি যার অংশ হিসাবে সংস্কৃত ভাষা বিষয়ক কোর্স চালু হয়েছে। আর, আমরা বাংলাদেশিরা জানি যে, আগ্রাসন সাধারণের ওপর শিক্ষা দিয়ে শুরু হয়।
Jeffrey Epstein এর কাছে একজন জার্নালিস্ট তুর্কিয়েতে Radical Islam ছড়িয়ে পড়া ঠেকানোর জন্য সাহায্যের আবেদন করে মেইল করে। যেখানে ওর পরিচিত বিলিয়নেয়ার, ফাউণ্ডেশনগুলোর সহযোগিতা কামনা করা হয়। Epstein সেখানে ইতিবাচক জবাব দেয়। এর মাত্র দেড় বছরের মাথায় Recep Tayyip Erdoğan এর বিরুদ্ধে সামরিক অভ্যূ্ত্থান আরম্ভ হয়।
ধন্যবাদ।
গতদিন Bangladesh Nationalist Party-BNP নেতার ভিডিও ফাঁস হয়েছে। যেখানে তাকে নগ্ন হয়ে নৃত্য করতে দেখেছে বাংলাদেশ। আপনি কি জানেন যে, এই নেতা ও অনুরূপ বাংলাদেশে থাকা নেতাদের নৃত্যের দৃশ্য সবার আগে Israeli Intelligence Community তথা Mossad ও ওদের তত্বাবধানে থাকা গোষ্ঠীর হাতে যায়?
বাংলাদেশ ২০১৫ সাল থেকে ২০২৫ সাল সময়ের মাঝে ১৬০টি টেকনিক্যাল সার্ভেইল্যান্স সিস্টেম Israel Defense Forces এর Unit 8200 নিয়ন্ত্রিত নানান কোম্পানি হতে ক্রয় করে। যা বিক্রয় করা ছিল ইসরায়েলের গ্লোবাল ডমিন্যান্স এস্টাবলিশমেন্টের অংশ হিসাবে ইন্টেলিজেন্স কমিঊনিটি ইঊনিফিকেশন প্রোগ্রামের সিস্টেম ডিস্ট্রিবিঊশন অ্যাক্টিভিটিজের অংশ। Benjamin Netanyahu বলেছিল, "আমরা পুরো দুনিয়াকে নীল করে দিচ্ছি (ইসরায়েলের পতাকার রং)।" যার জন্য ওরা পৃথিবীর দেশগুলোর ইন্টেলিজেন্স কমিঊনিটির ওপর এভাবে নিজেদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে।
০১|
এগুলো ক্রয়ের ক্ষেত্রে সবার সামনে রয়েছে National Telecommunications Monitoring Center (NTMC)। যারা আনুমানিক ১০০ মিলিয়ন ডলার খরচ করেছে এসবের ওপরে। যা মোট খরচের মাত্র ৫৮ শতাংশ!
০২|
Information and Communication Technology Division এর Bangladesh e-Government Computer Incident Response Team (CIRT) সেখানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নজরদারি, মেসেজিং ইত্যাদি ইন্টারসেপশনের প্রযুক্তিতে বেশি মনোযোগ দেয়।
০৩|
Bangladesh Police ও RAB এখানে মূল মনোযোগ দিয়েছে ওয়াই-ফাই, মোবাইল নেটওয়ার্ক ইন্টারসেপশন, সিগন্যাল জ্যামিংয়ের ওপরে। DGFI ক্রয় করেছে সেল নেটওয়ার্ক মনিটরিং, ট্যাপিং ও সিগন্যাল জ্যামাট টুল।
বাংলাদেশি ইন্টেলিজেন্স কমিঊনিটি ০৯টি ভিন্ন ভিন্ন কুখ্যাত বিক্রেতার কাছ থেকে এসব ক্রয় করেছে। যাদের মাঝে রয়েছে ইসরায়েল পরিচালিত NSO Group, Intellexa Consortium ও Cytrox। যার সর্বশেষ পারচেজ হয়েছে ২০২৫ সালে।
সমস্যা হলো, ইসরায়েলি NSO Group, Intellexa ও Cytrox এর ডেভলপ করা সমস্ত স্পাইওয়্যার ডেভলপারকে রিমোট অ্যাকসেস দেওয়ার সুবিধা দ্বারা যুক্ত। যেমন, সম্প্রতি আমরা অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের সূত্রে জানতে পারি যে, Inter Services Intelligence (ISI) পাকিস্তানে Cytrox এর Predator Spyware ডেপ্লয় করেছে। যার দ্বারা ইসরায়েলি ইন্টেলিজেন্স পাকিস্তানি সার্ভেইল্যান্স অপারেশনে সরাসরি রিয়াল টাইম রিমোট অ্যাকসেস পেয়েছে। একই স্পাইওয়্যার আমাদেরও দিয়েছে ওরা। সুতরাং, আমাদের সকল পলিটিশিয়ান, সিভিল, মিলিটারি অফিসিয়াল সহ সকলের ওপর ধরে নেওয়া যায় যে, ইসরায়েলের হাতে ব্লাকমেইল ম্যাটেরিয়াল রয়েছে।
এই Predator Spyware সুদানের Rapid Support Forces (RSF) 'কে ও দিয়েছে ইসরায়েল। যার কারণে ওরা গণহত্যা এত সহজে করতে পারছে। এসমস্ত স্পাইওয়্যার শুধুমাত্র সেসব দেশকে দেওয়া হয়, যাদের সিকিঊরিটি অ্যাপারাটাসের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ইচ্ছা পোষণ করে ইসরায়েল। এবং এগুলো দেওয়ার কিছুদিনের মাঝে দেশটির প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ ইসরায়েল গ্রহণ করে নেয়।
সুতরাং, এখন বাংলাদেশের সমস্ত সার্ভেইল্যান্স অপারেশনের ডাটা দু'টি স্থানে যায়। একইসাথে। এক হলো মোসাদ বা Epstein এর বসদের কাছে। আরেকটি দেশে মূল অপারেশনের ম্যানেজারদের কাছে। যেখানে এদেশের অপারেটিভরা ওদের হয়ে ফিল্ড ওয়ার্ক করে দেয়।
ধন্যবাদ।
২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৪ সালে Chief Adviser GOB Dr Yunus জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের জন্য নিঊইয়র্কে গিয়ে Avraham Berkowitz এর সাথে সাক্ষাৎ করেন।
Avraham Berkowitz 'কে তা নিয়ে আমি ইতিপূর্বে লিখেছি। সাক্ষাতের পর Avrahan Berkowitz নিজের Twitter এ লিখেন যে,
"Dr. Yunus's immediate tasks include restoring peace in Bangladesh and preparing for new elections"
অর্থাৎ, মানুষ যখন ওনাকে ০৫ বছরের জন্য চাচ্ছিলেন, তখন ওনাকে Avraham Berkowitz ওনার টাস্ক নির্ধারণ করে দিয়েছিল। তা হলো, "Restore Peace"। যার অর্থ হলো, জুলাইয়ের অস্থিতিশীলতার ফলাফল কার্যকর হতে না দিয়ে জুলাইয়ের পূর্বেকার সময়ের অবস্থা পুনর্বহাল করা। ও "Prepare for new Elections" অর্থাৎ অবস্থা পুনর্বহালের পর সেটিকে স্থায়ীত্ব দেওয়া। পূর্বের Status Quo না ভাঙা।
আপনারা আজ একারণে ওনার মুখ থেকে লীগ চাইলে ক্ষমা চেয়ে ফিরে আসতে পারে জাতীয় কথা শুনেন। ঠিক একারণেই ওসমান হাদী ভাইয়ের হত্যা বা আর কারো হত্যার বিচার হয় না। ওনার নাকের ডগা দিয়ে পূর্বেকার অপরাধীরা সমস্ত অপরাধ সংঘটন করে বেড়ায়। ইত্যাদি ইত্যাদি। মনে রাখবেন, জালিমের বিচার করলে তারপর নিজের হয়ে জুলুমের জন্য আর কাউকে পাওয়া যায় না। এজন্য কোনো শাসক যখন এরকম অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে আসে, তখন সে পূর্বেকার জালিমের বিচার করে না।
আপনি কি মনে করেন? Dr Yunus কে বাঁধা দেওয়া হচ্ছে? No! He is in complete harmony with them। You are the ones that are fools।
Dr Yunus হলেন New World Order (NWO) এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও নির্ভরযোগ্য অপারেটিভ। আর বাংলাদেশ থেকে ওরা এমন একজনকে বের করেছে কারণ, বাংলাদেশিরা নিজেদের ছোট্ট মনে করলেও আদতে বাংলাদেশের গুরুত্ব দুনিয়ায় বিরাট। শেখ হাসিনা ছিল হাতুড়ি। আর ডক্টর ইউনুস হলেন স্ক্যালপেল। এতকাল হাতুড়ি দিয়ে কাজ চলেছে। কিন্তু, এখন স্ক্যালপেল ব্যবহার না করলে আরেক আঘাতে পুরো স্ট্রাকচার ধ্বসে পড়তে পারতো। সুতরাং, ওকে সরিয়ে ইনি এসেছেন আপাতত।
Avraham Berkowitz হলো Epstein এর বসের বসদের প্রকাশ্য বার্তাবাহক। সে কি, তা জানতে কমেন্ট বক্সের পিন চেক করবেন।
"It has been an honor and privilege to be of help and support to Professor Yunus and his team for over a decade. A wonderful moment to greet him on his visit to the United Nations for the General Assembly."
ডক্টর ইউনুস ও ওনার সঙ্গীদের সে ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে সাহায্য এবং সহযোগিতা করে আসছে বলে নিজের Tweet শেষ করা হয়।
ধন্যবাদ।
(And Yes! Don't forget to Enjoy your Election)
Comments
Post a Comment