//Jeffrey Epstein//Relevant//
"আমাকে প্রয়োজন মনে না করলে বলেন। আমি চলে যাবো। কিন্তু যেহেতু আমাকে ডেকেছেন, তাহলে আমার কথা শুনতে হবে!"
ডক্টর ইউনুস আগস্টের ০৮ তারিখে যখন এই কথাটা বাংলাদেশের মানুষকে উদ্দেশ্য করে বলেন, তখন আমার ভেতর কোনো কারণে খটকা লেগে বসে। তখন যদিও ধারণা করতে পেরেছিলাম, তবে পূর্ণ চিত্র ছিল না। অতঃপর এখন দেখছি যে, তিনি কেন এই কথাটি তখন বলবার প্রয়োজন বোধ করেছিলেন।
লেখাটি যখন আরম্ভ করলাম, ঠিক এইসময়ে তিনি রয়েছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের Interim Government এ Chief Adviser হিসাবে নিজের প্রথম আন্তর্জাতিক সফরে। United Nations General Assembly (UNGA) এর ৭৯তম অধিবেশনে অংশ নেওয়াটা এই সফরের প্রত্যক্ষ উদ্দেশ্য। আর এই উপলক্ষে তিনি বর্তমান সময়ে অবস্থানরত আছেন আমেরিকার নিউইয়র্ক সিটিতে। যেখানে বসে একের পর এক ওয়ার্ল্ড লিডারদের সাথে সাক্ষাৎ করে এদেশের মানুষের মাঝে সাড়া ফেলে দিচ্ছেন তিনি।
ওখানে গিয়ে তিনি যাদের সাথে সাক্ষাৎ করছেন, এবং যারা ওনার প্রশংসায় পঞ্চমুখ, এদের ভেতর অন্যতম এক ব্যক্তি Avraham Berkowitz। প্রশ্ন হলো, লেখার শুরুতে বিশেষভাবে এই লোকের নাম কেন আমি টেনে নিয়ে আসছি?
কারণ, Avraham Berkowitz এর পরিচয় হলো, সে Jewish ধর্মের শীর্ষ-পর্যায়ের ধর্মগুরু। একইসাথে সে বিশ্বমঞ্চে ইজরায়েলি পক্ষের অনেক বড় কন্ঠস্বর। প্রশ্ন হলো, কতটা বড় কন্ঠস্বর সে? সেটা আমি এখন তুলে ধরতে যাচ্ছি। এর পূর্বে সম্মানিত পাঠককে লক্ষ্য করে থাকবে আমার কয়েকটি প্রশ্ন।
এর প্রথমটি হলো, World Economic Forum (WEF) সম্পর্কে জানা আছে কিনা? যারা প্রতিবছর সুইজারল্যাণ্ডের দাভোসে সামিট করে। যে সামিটগুলোতে Science, Economy, Politics, Diplomacy জাতীয় বিষয়ের ওপর কথিত আলোচনা হয়? যেখানে এসকল ফিল্ডে পরিচিতি পাওয়া ব্যক্তিত্বদের সারা দুনিয়া হতে ডেকে নেওয়া হয়? যে WEF এর প্রতিষ্ঠা হয়েছে কুখ্যাত Klaus Schwab এর হাতে?
প্রশ্নগুলির উত্তর জানা থাকলে ভালো। অজানা থাকলে জানবার অনুরোধ করছি। ফিরে আসি Avraham Berkowitz এর বিষয়ে। গত দু'দশক যাবত যে কিনা প্রত্যেকটা বছর WEF সামিটের শেষে Shabbat এর বার্ষিক ডিনার আয়োজন করে আসছে। চলতি ২০২৪ সালেও যার ব্যতিক্রম হয়নি। এখানে বলে রাখা দরকার যে, Shabbat হলো ইয়াহুদি ধর্মের একটি সাপ্তাহিক ধর্মীয় দিবস। আলোচনার আরও সামনে অগ্রসর হওয়ার পূর্বে আমি মনে করি যে, পাঠকের এই ডিনার আয়োজকের Significance বুঝে নেওয়া প্রয়োজন।
প্রথমে আসি Davos Summit এর বিষয়ে। এই সম্মেলন এমন একটা স্থান, যেখানে Elon Musk, Joe Biden, Bin Salman এর মতো বর্তমান পৃথিবীর নানান পর্যায়ের ক্ষমতাশালী মানুষেরা উপস্থিত হয়ে থাকে। আর, এখানে উপস্থিত হওয়ার অর্থ অনেক সময় এই দাঁড়ায় যে, ওখানে উপস্থিত ব্যক্তি নিজের আত্মাকে বিক্রি করে দিয়েছে। মানবজাতির ধ্বংসের বিনিয়মে নিজের উন্নতিকে সে গ্রহণ করেছে। WEF সম্পর্কে যারা ধারণা নিয়েছেন, তারা আশা করি ইতিমধ্যে আমার কথা বুঝতে পেরেছেন।
এখন এমন একটি জায়গা, যেখানে মানুষ প্রতিবছর পৃথিবীর বুকে অনাচার ছড়াবার প্রতিজ্ঞা নিয়ে একত্রিত হয়, যেখানে কথিত Deep State এর পুতুলদের মাঝে নির্দেশনা বন্টন করা হয়, এমন জায়গাতে টানা ২০ বছর বার্ষিক নৈশভোজ আয়োজনের মূল আয়োজক হওয়ার অর্থ কি? অর্থ হলো, নিশ্চয় সে ওখানকার প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। নিশ্চয় ওকে সেখানে উপস্থিত হওয়া পুতুলদের Puppeteer এর তরফ হতে রাখা হয়েছে। নিশ্চয় সে উক্ত Puppeteer এর এজেণ্ডা বাস্তবায়নকারী এবং ওর বিশ্বস্তদের অন্তর্ভুক্ত!
এবার প্রশ্ন আসছে, Puppeteer কে? আর ওখানে এজেণ্ডাই বা কি? আর এসবের সাথে ডক্টর ইউনুসের সম্পর্ক কি?
প্রথমে চলে যাই মাঝের প্রশ্নে। এজেণ্ডা কি? এক্ষেত্রে পাঠকের জন্য আশা করি ২০২৪ সালে হয়ে যাওয়া দাভোস সামিটের নৈশভোজের বিবরণী যথেষ্ট হবে। সেবার দাভোসের সামিট শেষ হলে Avraham Berkowitz সামিটের ডিনারে ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসের ০৭ তারিখে ফিলিস্তিনি গেরিলাদের হাতে বন্দি হয়ে অতঃপর বন্দি-বিনিময় চুক্তির অধীনে মুক্তি পাওয়া ইজরায়েলি নাগরিকদের সেখানকার আমন্ত্রিত অতিথিদের সামনে নিয়ে আসে। এরা ঘুরে ঘুরে সেখানে উপস্থিত আন্তর্জাতিক নেতাদের সাথে মিলিত হয়। এর মাধ্যমে ইজরায়েলের হয়ে সেখানে বড়মাপের Diplomacy তে ভূমিকা রাখে এই ধর্মগুরু।
এটা তো গেলো এজেণ্ডা কি হতে পারে তার উদাহরণ। এবার আসছি প্রথম প্রশ্নে। Puppeteer কে?
এখানে শুরুতেই একটা প্রশ্ন করছি। প্রশ্নটি হলো, আপনারা কি ডিনার নিয়ে আলোচনা চলাকালীন একটি কথা লক্ষ্য করেছেন যে, WEF এ নৈশভোজের আয়োজক উপরোক্ত ধর্মগুরু ০২ দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রত্যেক বছর ইয়াহুদি ধর্মের বিশেষ দিবস উপলক্ষে ওখানে ডিনার আয়োজন করে আসছে? নির্দিষ্ট করে বলতে গেলে, World Economic Forum বিগত ২৫ বছর যাবত ওদের সামিটে উক্ত দিবস উপলক্ষে ডিনার আয়োজন করে আসছে। এটা হলো একটা Clue।
এখানে আরও একটা Clue যুক্ত করছি। এজন্য আমাদের জানতে হবে ইয়াহুদি ধর্মগুরু Avraham Berkowitz এর মূল পরিচয়। এক্ষেত্রেও আবার জিজ্ঞাসা করতে হয় যে, সকলের কি স্মরণে আছে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের কথা? যখন আমেরিকার নিউইয়র্কের Brooklyn এ ইয়াহুদিদের একটি সিনাগগের নিচে Tunnel এর সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল?
যে সিনাগগের নিচে ঐ টানেলের খোঁজ মিলেছিল, ঐ সিনাগগ কিন্তু কোনো সাধারণ উপাসনালয় ছিল না। ওটা ছিল ইয়াহুদি ধর্মের একটি রহস্যময় সংগঠন, Chabad-Lubavitch Hasidic Movement এর World Headquarter। এরা ভয়ানক। এবং এদের লক্ষ্যের বিস্তৃতি পুরো দুনিয়া। ইয়াহুদি ধর্মের 'Messiah' কে ডেকে আনবার চেষ্টায় লেগে থাকায় খোদ অন্যান্য কিছু ইয়াহুদি ধর্মগুরু একসময় এদের কঠোর সমালোচনা করেছে। এদের সবচেয়ে প্রভাবশালী ধর্মগুরুর নাম হলো Menachem 'Mendel' Schneerson। যদি কেউ বলতে চান যে, ইজরায়েলের জন্মের পর থেকে এর সরকারের যত পলিসি সামনে এসেছে, সেগুলোর বেশিরভাগের পেছনে এই ধর্মগুরুর বড় প্রভাব আছে, তাহলে সেই কথা খুব একটা অত্যুক্তি হবে না। এই ব্যক্তি কখনো নিজ জীবদ্দশায় প্রকাশ্য রেকর্ড অনুসারে ইজরায়েলে যায়নি। কিন্তু, ইজরায়েলের প্রায় প্রত্যেক নীতিনির্ধারক নিয়ম করে ওর কাছে এসেছে।
যেমন, ইজরায়েলের সাবেক President জালমান সাজার নিউইয়র্কে আসলে অবশ্যই Menachem Schneerson এর সাথে সাক্ষাৎ করতো। এরপর লেবাননের শাতিলা-সাবরার নৃশংস গণহত্যার নির্দেশদাতা, Prime Minister মেনাচিম বেগিন অনেকবার আমেরিকাতে এসে এই লোকের কাছ থেকে পরামর্শ, দিক-নির্দেশনা নিয়েছে। Prime Minister আইজ্যাক রাবিন, শিমন পেরেজরাও এর ব্যতিক্রম ছিল না। সবশেষে, হালের বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু তো ২০১১ সালের দিকে খোদ জাতিসংঘের এক অধিবেশনের ভাষণের সময়ে ওর উদ্দেশ্যে উক্ত ধর্মগুরুর দেওয়া এক উপদেশ Quote করতে শুরু করেছিল!
Prime Minister এরিয়েল শ্যারন যখন Israeli Defence Forces (IDF) এর কর্মকর্তা, তখন সামরিক বিষয় নিয়ে প্রায়ই সে ধর্মগুরু Menachem Schneerson এর সাথে আলাপ করতো। এই ধর্মগুরুর ভাষায়, IDF সদস্যরা ধর্মের এক বড় দায়িত্ব পালন করছে!
এখন আসছি আমাদের আজকের আলোচ্য ব্যক্তি, Avraham Berkowitz এর সাথে এই ধর্মগুরুর সম্পর্কের বিষয়ে। Berkowitz হলো এই ধর্মগুরুর শিষ্য এবং উক্ত ধর্মগুরুর অবর্তমানে ওর রেখে যাওয়া সংগঠন Chabad-Lubavitch Hasidic Movement এর শীর্ষস্থানীয় নেতা। যে সংগঠনের সদরদপ্তরকে কিনা আমেরিকার ইজরায়েলি লবি এবং কথিত "Secret Society" এরও হেডকোয়ার্টার বলে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে।
ডক্টর ইউনুস আমেরিকাতে গিয়ে অনেকের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন। এর ভেতর থেকে আমি এই ধর্মগুরুকে বেছে নিয়ে এসেছি। কেন? কারণ প্রথমত এই লোকটার পরিচয়। দ্বিতীয়ত, এই লোকটি নিজ Twitter এ ডক্টর ইউনুসকে নিয়ে প্রথমে নিজে তো লিখেছে, এরপর World Bank এর President Ajay Banga এর সাথে ডক্টর ইউনুসের সাক্ষাৎ সংক্রান্ত Tweet কে Re-Tweet ও করেছে। পছন্দের এবং আস্থার লোক না হলে কারো জন্য যা এই ব্যক্তিটির করবার কথা নয়। কারণ, এই ব্যক্তিটি কারো বিষয়ে নিজে থেকে Endorse করা অর্থ ওর নিয়ন্ত্রণে থাকা লবি ইত্যাদিকে জানান দেওয়া যে, এই লোকটি কিন্তু আমাদের!
এর বাইরে, ডক্টর ইউনুসের World Economic Forum (WEF) এ অংশ নেওয়ার ইতিহাস কিন্তু অনেক পুরাতন। যেমন, ২০০৯ সালে তিনি ওখানকার সামিটে অংশ নিয়েছিলেন। এরপর ২০১০, ২০১৪ সাল সহ একাধিকবার তিনি উক্ত সামিটে অংশ নেন। ঠিক কতবার, তা আমার অজানা। এমনকি ২০১২ সালের সামিটে খোদ Klaus Schwab এর সাথে ডক্টর ইউনুসের ঘনিষ্ট একটি ছবির দেখাও ইন্টারনেটে মিলেছে।
গতকাল ডক্টর ইউনুস যে Clinton Global Initiative এর স্টেজে কথিত সমন্বয়কদের পরিচয় করিয়েছেন, সেখানকার Bill Clinton কয়েক দশক হতে চললো WEF এর সামিটে অংশ নিয়ে থাকে। যে কিনা Pedophilia এর অভিযোগে অভিযুক্ত। আর এই WEF এমন একটা অর্গানাইজেশন, যাদের নিয়ে খোদ পশ্চিমা সচেতন মানুষ ভয়াবহরকমের উদ্বিগ্ন। যাদের এজেণ্ডা, সংগঠন মানবজাতিকে শেষ করে দিতে উদগ্রীব এমন মানুষদের দ্বারা পরিপূর্ণ! আমরা অনেকে অনেক ইস্যু নিয়ে উদ্বিগ্ন বর্তমানে। খোঁজ নিলে ওগুলোর বেশিরভাগের পেছনে এদের ইন্ধন মিলতে পারে!
দেশের মানুষ গতকাল অমুককে কেন মঞ্চে রাখা হলো তা নিয়ে তোলপাড় করে ফেলছেন। আরে ভাই! ঐ মঞ্চ পর্যন্ত বাংলাদেশ কেন গেলো!
(লেখাটি ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৪ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। লেখাটি Jeffrey Epstein বিষয়ক বস্তুর সাথে সম্পৃক্ত। আমার ঐ বিষয়ক এসব লেখাগুলি পুনঃপ্রকাশিত হচ্ছে এখানে)
ডক্টর আফিয়া সিদ্দিকীর Phd ছিল cognitive neuroscience। তার রিসার্চ প্রজেক্ট ছিল ওখানে Separating the components of imitation। যে বিষয়টি Jeffrey Epstein ও ওর বৈশ্বিক আধিপত্যবাদী বন্ধু ও নিয়ন্ত্রকদের Radical Transhumanism আদর্শের বিরোধিতার ক্ষেত্রে অন্যতম ইঊনিক ফাঊণ্ডেশনাল পিলার বা মূল ভিত্তি।
তার রিসার্চের বিষয়টি Radical Transhumanism 'কে বাতিল সাব্যস্ত করার ক্ষেত্রে বেশ শক্তিশালী অস্ত্র বলে বিবেচনা করা হয়। কারণ এটা Mind Uploading, Human Consciousness Replication, Artificial General Intelligence ইত্যাদি Transhumanism এর কেন্দ্রীয় সমস্ত বিষয়গুলোকে চ্যালেঞ্জ করে।
ডক্টর আফিয়া সিদ্দিকী তাঁর Bachelor in Science নিয়েছিলেন Massachusetts Institute of Technology (MIT) থেকে। তারপর ২০০১ সালে Brandeis University থেকে তার Phd গ্রহণ করেন তিনি। তাঁর ঐ অভিজাত বিজ্ঞানীদের সার্কেলে খুবই মেধাবী ও চৌকস জুনিয়র বিজ্ঞানী হিসাবে সুনাম ছিল।
ওসব স্থানের বিজ্ঞানীদের সার্কেল আবার তখন Jeffrey Epstein এর চরম Obsession এর জায়গা। Transhumanist হিসাবে সে তখন MIT Media Lab ও Harvard এর Program for Evolutionary Dynamics এ থাকা Neuroscience ও AI বিষয়ক গবেষকদের ঘনিষ্ঠ ও ওখানে প্রভাবশালী ছিল।
যদিও Epstein এর Brandeis এ সরাসরি ফাণ্ডিং বা সংযুক্ত থাকার কোনো সূত্র আমি এখনো পাই নাই, তবে, Epstein যে মাত্রার Obsessed ছিল, তাতে করে ডক্টর আফিয়ার মতো ওর স্বপ্নের গুড়ে বালি ঢালার ক্ষেত্রের উদীয়মান তারকা ওর চোখ এড়াতে পারবার কথা না। বিশেষ করে, তিনি MIT 'তে থাকাকালীন ওখানকার Muslim Students Association এর খুব তৎপর অ্যাক্টিভিস্ট ছিলেন। ফলে Epstein ও ওর নীতিনির্ধারকদের ওখানে বুঝে নেওয়ার কথা যে, ডক্টর আফিয়া হয়তো ভবিষ্যতে ওদের বিরোধিতার এক শক্তিশালী অস্ত্র হয়ে উঠতে পারেন। আর তাঁকে নিয়ন্ত্রণ করাও সম্ভব না। কিন্তু, তাঁর তৎপর ব্যক্তিত্ব বলে, তিনি চাইলে এসব নিয়ে সাধারণের মাঝে সচেতনতা তৈরিতে অবদান রাখতে পারেন। ফলে, ওরা ওদের তৎপরতার দ্বারা মানবজাতির মারাত্মক ক্ষতি করতে চাইলে সেখানে তিনি হয়ে দাঁড়াতে পারেন বাঁধা। যার ফলে ওদের গবেষণামূলক তৎপরতা ক্ষতির মুখে পড়ে যেতে পারে।
বিষয়টির দূরতম সম্ভাবনাও যেখানে ওদের কাছে গ্রহণযোগ্য ছিল না। বিশেষ করে মানুষটা যখন তৎপর মুসলিম পরিচয়ের।
বিষয়টির সম্ভাবনা আমি কেবলমাত্র জোড়া দিতে পারলাম একজন সম্মানিত মন্তব্যকারীর মন্তব্য থেকে। Transhumanism একটা বিরাট বিষয় ওদের জন্য। সুতরাং, আলোচ্য কারণে ডক্টর আফিয়াকে বন্দি রাখা, পাকিস্তান সরকারকে চাপ দেওয়ার দ্বারা তাঁর মুক্তি বন্ধ রাখার বিষয়টি ঘটানো ওদের জন্য খুবই স্বাভাবিক। এক্ষেত্রে পাকিস্তানি ইন্টেলিজেন্সের সাথে Mossad ও CIA এর সম্পর্ক বড় অবদান রাখতে পেরেছিল আমার মতে।
হতে পারে ডক্টর আফিয়া এখানে নিজেও জানতেন না যে, তিনি আসলে নিজের অজান্তে নিজেকে টার্গেট বানিয়ে ফেলেছেন। সৎ ও নীতিবান সায়েন্টিস্টদের টার্গেট করাটা ওদের জন্য খুবই রূটিন একটা বিষয়। এবং সেটা ঘটে তাঁরা পরিণত হয়ে ওঠার আগেই।
ধন্যবাদ।
International Relations, Diplomacy, Geo-Politics এগুলো মূলত স্ক্যাম। Westphalian System নিয়ে যারা মুক্ত চিন্তাধারার সাথে পড়েছেন, তাঁদের জন্য পুরো বিষয়টি পরিষ্কার।
আর যারা বিভিন্ন শিক্ষকের অধীনে, ওনাদের ফ্রেমিং থেকে পড়েছেন, ওনাদের কাছে বিভিন্ন বস্তু যা আজ দেখা যায়, সেগুলো আসলে International Relation ও স্বাভাবিক। এসব বিষয়ে থার্ড ওয়ার্ল্ডের অধিকাংশ শিক্ষক নিজেরাই আমার দৃষ্টিতে চোখ থাকতেও অন্ধ অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে এগুলোকে স্বাভাবিক করে দেখায়।
যেমন উদাহরণ, Back-channel Diplomacy/ Silent Diplomcay/ Quiet Diplomacy। এটা হলো বিশ্বাসঘাতকতা, দাসত্বের আধুনিক টার্ম।
এখন, আমি যদি আপনাদের বলি যে, ইণ্ডিয়া ও পাকিস্তানের মাঝে আসলে কোনো বিরোধ নাই, তাহলে আমাকে কি আপনারা পাগল বলবেন? আমাদের এমন অনেক অদ্ভূত ও উদ্ভট ধারণা আছে। যা এখন বললে আমাকে শায়েস্তা করা হতে পারে। কিন্তু, ডাঊন দ্য লাইন, হয়তো এসব বাস্তব প্রমাণিত হবে।
International Relations বলে কিছু নাই। আছে Intelligence ও ওদের আন্তর্জাতিক কমিঊনিটি। ইন্টেলিজেন্স কমিঊনিটি জনগণকে ধোঁকা দিতে যা ব্যবহার করে, তার নাম হলো ISPR/PR Dept, MoFA, Military।
ধন্যবাদ।
(আরেকটি বিষয় হলো, এসমস্ত পোস্ট, Including Jeffrey Epstein related ones, নির্দিষ্ট সময় পর মুছে দিতে পারি। এজন্য কপি করে রাখতে পারেন দরকার হলে। আর হ্যা, এটাও Jeffrey Epstein টপিকের সাথে সংশ্লিষ্ট)
Comments
Post a Comment