ইতালিয়ান আমেরিকান ফ্রি-ল্যান্স জার্নালিস্ট শেলি কিটলসনের বিষয়ে Kataib Hezbollah ইরাক সরকারের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করেছে মর্মে জানা গিয়েছে।
New York Times এর রিপোর্ট অনুযায়ী ইরানের Quds Force দ্বারা পরিচালিত মিলিশিয়াটির নীতিনির্ধারণী পর্যায় হতে বাগদাদ সরকারের সাথে ইরাকের কারাগারে আটক ওদের কিছু সদস্যের মুক্তির দাবি নিয়ে এসময় যোগাযোগটি স্থাপন করা হয়।
সাংবাদিক শেলি কিটলসন ফিলিস্তিনের পরিস্থিতি ও সেখানকার সাংবাদিকদের বিপদসংকুল অবস্থা নিয়ে একজন সোচ্চার কন্ঠস্বর ছিলেন। তাঁকে বন্দি করার দ্বারা ইরানপন্থীরা কি চায় তা আমার অজানা। বিশেষত, আলোচ্য ইরানপন্থী সংগঠন ইতিপূর্বে ইরাকে সুন্নি জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে চরম অত্যাচার পরিচালনা করেছে। ইরাকে ও সিরিয়ার মাটিতে এদের বিরুদ্ধে নারীদের ধর্ষণ ও অন্যান্য প্রকারের পাশবিক নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে ইরাক ও সিরিয়ার নানান স্থানে এরা যে বৃহত্তর অর্গানাইজেশনের অংশ, ওরা সুন্নি পুরুষদের নির্বিচারে বন্দি, হত্যা ও নারীদের এমনকি পরিবারের সম্মুখেও ধর্ষণ করে থাকে।
এমতাবস্থায় আমরা স্রেফ আশা করতে পারি যে, এই পাশবিক সংগঠনের থাবা হতে তিনি নিরাপদে মুক্ত হয়ে আসবেন। নতুবা, বিষয়টি আসলে ভালো দেখাবে না।
ধন্যবাদ।
-------------------------
নিচের ছবি শেলি কিটলসন, বাগদাদে ইরানি মিলিশিয়ার হাতে অপহৃত ইতালিয়ান আমেরিকান জার্নালিস্টের Twitter হতে আমি সংগ্রহ করেছি।
ওখানে গিয়ে গাজা সম্পর্কে সার্চ করার সাথে সাথে আমার সামনে অগণিত টুইট উপস্থিত হয়। তার মাঝ থেকে আমি কিছু স্ক্রিনশট করি। যেখান হতে কয়েকটি বিষয় স্পষ্ট।
প্রথমত, সিনিয়র জার্নালিস্ট হলেও Twitter এ তাঁর তেমন কোনো অডিয়েন্স ছিল না।
দ্বিতীয়ত, অডিয়েন্স না থাকার পরেও তিনি নিয়ম করে গাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে, বিশেষ করে সেখানকার সাংবাদিকদের দৈনন্দিন সংগ্রাম সম্বন্ধে tweet ও re-tweet করতেন। যা খুব আন্তরিক মানসিকতার না হলে আসলে কেউ করে না।
তৃতীয়ত, এরকম একজনকে কথিত Axis of Resistance এর সদস্য সংগঠন তুলে নিয়ে যাওয়াটা চরম লজ্জাজনক একটা বিষয়। বিশেষ করে, নিচের টুইটে যেমনটি দৃশ্যমান যে, আমেরিকায় জন্ম নিলেও শেলি কিটলসন গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় আমেরিকান বোমা ব্যবহারের মতো বিষয় নিয়েও সোচ্চার ছিলেন।
Comments
Post a Comment