Government Communications Security Bureau (GCSB) হলো নিঊজিল্যাণ্ডের Signals Intelligence (SIGINT) ও Cyber Security বিষয়ক গোয়েন্দা সংস্থা।
Five Eyes এর পক্ষ হতে আলোচ্য সংস্থাকে বাংলাদেশের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। যা ওরা আমাদের ধারণা অনুসারে আজ অবধি পালন করে আসছে। সুপরিচিত মার্কিন গুপ্তচর Edward Snowden এর হাত ধরে সর্বপ্রথম যার উন্মোচন হয়।
স্নোডেন এর একটি ফাঁসকৃত ফাইলের শিরোনাম ছিল “National Security Agency Relationship with New Zealand”। আমেরিকার কুখ্যাত National Security Agency (NSA) এর আলোচ্য ফাইলটিতে নিঊজিল্যাণ্ডের বাংলাদেশের ওপর নজরদারির বিষয়ে বিস্তর তথ্য তুলে ধরা হয়েছিল। ওখানে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো উঠে আসে।
GCSB ইণ্ডিয়া সহ বিভিন্ন মিত্র দেশের পক্ষ হয়ে ঢাকার একটি স্পেশাল কালেকশন সাইট হতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নানান কমিঊনিকেশন মনিটর করে থাকে। যার মাঝে বাংলাদেশের সরকারি বাহিনী ও সংস্থার কমিঊনিকেশন অন্তর্ভুক্ত। বিষয়টি কমপক্ষে ২০০৪ সাল থেকে ঘটে আসছে। যেখানে GCSB ওদের পাওয়া কোনো তথ্যের Counter Terrorism (CT) বিষয়ক গুরুত্ব থাকলে তা সরাসরি বাংলাদেশের সরকারি বাহিনীর হাতে টার্গেট প্যাকেজ হিসাবে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য হস্তান্তর করে।
NSA এর ফাইলে আলোচ্য ইঊনিটের নাম লেখা হয় Signals Intelligence Development Team হিসাবে। যাদের কোড হলো OCR। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার ফাইলে নিঊজিল্যাণ্ডের এই অপারেশনকে একটি সফলতার গল্প হিসাবে উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি বলা হয় যে, আলোচ্য তৎপরতার দ্বারা পাওয়া তথ্যগুলো unique intelligence leads হিসাবে কাজ করেছে। যেগুলোর দ্বারা আমেরিকার Central Intelligence Agency (CIA) ও ইণ্ডিয়ান ইন্টেলিজেন্স কমিঊনিটি বিভিন্ন সফল অপারেশন পরিচালনায় সমর্থ হয়েছে।
The Intercept ও নিঊজিল্যাণ্ডের স্থানীয় আরেকটি সংবাদপত্র সম্মিলিতভাবে রিপোর্টটি বিশ্লেষণ করেছিল। ওখানকার বিশ্লেষকেরা ধারণা করেন যে, লিসেনিং স্টেশনটি সম্ভবত কোনো মার্কিন নিয়ন্ত্রিত ফ্যাসিলিটিতে অবস্থিত। কারণ, নিঊজিল্যাণ্ডের বাংলাদেশে নিজস্ব দূতাবাস নাই।
GCSB এর বাংলাদেশ হতে সংগৃহীত সমস্ত তথ্য সাধারণত সরাসরি মার্কিন ইন্টেলিজেন্স কমিঊনিটির ডাটাবেজে চলে যায় বলে মনে করা হয়।
ধন্যবাদ।
Comments
Post a Comment