পাকিস্তানের করাচিতে বিক্ষুব্ধ জনতা মার্কিন দূতাবাসে হানা দেওয়ার চেষ্টা করছে। দূতাবাসের দায়িত্বে থাকা U.S. Marine Corps গার্ডস তাদের ওপর সরাসরি ফায়ার ওপেন করেছে।
সমগ্র তেহরানে ভয়াবহ বিমান হামলা চলছে। প্রচণ্ড বিস্ফোরণে মুহুর্মুহু কেঁপে উঠছে শহর। ধোঁয়ায় ছেয়ে গিয়েছে চতুর্দিক।
০১| মেজর জেনারেল আব্দুর রহিম মুসাঊঈ, জেনারেল স্টাফ অব দি আর্মড ফোর্সেস অব ইরান।
০২| মেজর জেনারেল মুহাম্মাদ পাকপোঁর, কমাণ্ডিং জেনারেল, ইসলামিক রেভলিঊশনারি গার্ডস কর্পস।
০৩| আজিজ নাসিরজাঁদেহ, মিনিস্টার অব ডিফেন্স।
০৪| আলি সামখানি, সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিঊরিটি কাঊন্সিল, ইরান।
০৫| আলি হুসেঈনি খামেনি, সুপ্রিম লিডার, ইরান।
সকলে সম্মিলিত NATO ও Israel Defense Forces এর আক্রমণে সুনিশ্চিতভাবে নিহত হয়েছেন।
ওমান ঊপসাগরে ইরান কেবলমাত্র একটি অয়েল ট্যাঙ্কারে আঘাত করেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্ডান, কুয়েত ও বাহরাইনে সাইরেন চলছে।
জানা গিয়েছে যে, ইরানে আজকের হামলার পেছনে Pakistan Army সমর্থিত সাঊদি ক্রাঊন প্রিন্স বিন সালমান সপ্তাহের পর সপ্তাহ লবিং চালিয়েছে। যাদের সাথে পাকিস্তান সরকার গতকাল একাত্মতা পোষণ করেছে।
ধন্যবাদ।
==============================
পাকিস্তানের করাচিতে U.S. Marine Corps এর গুলিতে কমপক্ষে ০৮ জন পাকিস্তানি বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।
এরপর পাকিস্তানি রেঞ্জার্স ও সিন্ধ পুলিশের Special Security Unit (SSU) বিক্ষোভকারীদের বলপ্রয়োগ করে ছত্রভঙ্গ করার পর দূতাবাসের নিরাপত্তার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে।
ধন্যবাদ।
Comments
Post a Comment