Skip to main content

 U.S. Department of State আফগানিস্তানকে কিছুক্ষণ আগে State Sponsor of Wrongful Detention বলে ডেজিগনেট করেছে। মাত্র ১০ দিন পূর্বে একই ডেজিগনেশন ইরানকে দেওয়া হয়েছিল!


আলোচ্য ডেজিগনেশনের ফলে এখন মার্কিন সরকার আফগানদের ওপর Economic Sanction জারি করতে মার্কিন সাংবিধানিক বৈধতা পাবে। এটি সাম্প্রতিক সময়ে উদ্ভাবিত অন্যতম কঠোর মার্কিন ডেজিগনেশন। যার দ্বারা ইঙ্গিত দেওয়া হচ্ছে যে, আফগানিস্তান মূলত একটি Rogue State ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাঁদের ওপর সর্বোচ্চ পর্যায়ের কূটনৈতিক চাপের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।


"State Sponsor" ডেজিগনেশনের দ্বারা ভবিষ্যৎ সামরিক পদক্ষেপের বৈধতা তৈরির কাজও করা হয়ে থাকে বলে আমরা ইতিপূর্বে অনেক স্থানেই দেখতে পেয়েছি।


ধন্যবাদ।


==============================


U.S. Forces Korea (USFK) বিশ্বব্যপী মোতায়েন থাকা ০৮টি মার্কিন Terminal High Altitude Area Defense (THAAD) ব্যাটারির মাঝে ০১টি অপারেট করে থাকে।


জানা গিয়েছে যে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ব্যাপকতা পাওয়ার পর হতে সাঊথ কোরিয়া হতে আলোচ্য ব্যাটারির অধীনস্থ সমস্ত বা অধিকাংশ লঞ্চার মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশ্যে দক্ষিণ কোরিয়ার মাটি ত্যাগ করেছে। স্রেফ রাডার বাকি রয়েছে বর্তমানে।


এর ফলে নর্থ কোরিয়া ও চায়নিজ মিলিটারির কোনো তৎপরতা শুরু হলে সাঊথ কোরিয়া চরম বিপদের মুখে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 


মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আলোচ্য তৎপরতা আরো ইঙ্গিত করছে যে, আমেরিকা অতি দ্রুত ইরানে থামার কোনো আগ্রহ পোষণ করে না। আমরা মিডিয়াতে হরেক রকমের আলাপ শুনতে পারি। তবে, বাস্তবতা হলো, হেভি বম্বার ও ক্যারিয়ার স্ট্রাঈক গ্রূপ এখনো রিজিয়নে পূর্ণ শক্তিতে অবস্থান নিতে সমর্থ হয়নি। ওগুলোর পজিশনিং চলমান রয়েছে। একইসাথে LRSAM সহ আরো নানান স্ট্র্যাটেজিক সিস্টেম এখনো সমস্ত স্থানে পৌঁছেনি।


সুতরাং, Donald J. Trump অথবা যেই যা বলুক না কেন, এটা অতিশীঘ্র থামাটা অনেকখানি অবাস্তব। 


ধন্যবাদ।

Comments

Popular posts from this blog

 রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন চুপ্পু Kaler Kantho এর কাছে গেলো অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে ওনার বঙ্গভবনে অবস্থানের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। উনি বলেন যে, বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী ওনাকে তখন সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেন। "সশস্ত্র বাহিনী আমাকে স্রেফ একটি কথা বলেছিল। তা হলো, মহামান্য! আপনি সামরিক বাহিনীর সর্বাধিকনায়ক! আপনার পরাজয়ের অর্থ সমগ্র সামরিক বাহিনীর পরাজয়। আর আমরা যেকোনো মূল্যে সেটি রুখে দেওয়ার চেষ্টা করব! শেষে ওনারা তাই করেছেন। ওনারা বিভিন্ন সময়ে এসেছেন, আমাকে মানসিক শক্তি জুগিয়েছেন।" অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একবার রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিনকে ওনার পদ হতে সরাতে চেয়েছিল। তখন Chief of Army Staff, Chief of Naval Staff ও Chief of Air Staff তথা বাংলাদেশের তিন বাহিনীর প্রধান রুখে দাঁড়ান ও Muhammad Yunus কে বলেন যে, "আমরা সংবিধানের বিপরীত কোনো কার্যকলাপ সংঘটিত হতে দিব না!" যখন বঙ্গভবনের সামনে অজ্ঞাতনামা পরিচয়ের মানুষ রাষ্ট্রপতির পতনের দাবি নিয়ে জড়ো হয়েছিল, তখনো সামরিক বাহিনী উপরোক্ত অবস্থান ধরে রাখে। Party-BNP এর শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উক্ত সময়টিতে বিনা দ্বিধায় রাষ্ট্রপতির পাশে ছিলেন মর্মেও জা...
 [সতর্ক অবস্থানে ও সম্মানজনক পরিবেশে অডিও চালুর অনুরোধ রাখা হলো] "Will you invoke ba'al and forsake The Best of Artisans!" দুনিয়ার বুকে Jeffrey Epstein ও ওর বন্ধুদের শত্রুতা কেন ফিলিস্তিন, ইরাক, সিরিয়া, ইয়েমেন, আফ্রিকা, আফগানিস্তান, পাকিস্তান, কাশ্মির, আরাকান, বাংলাদেশ, ফিলিপাইন, উইঘুরে স্রেফ মুসলমানদের সাথে তাঁর জবাব এখানেই আছে। For context, Epstein ছিল বা'আলের পূজারি। অন্তত তেমনটিই বর্তমানে বিশ্লেষকদের ধারণা। আর, নিচে কুরআনুল কারিমের আয়াত।  "তোমরা কি বা'আলকে ডাকবে এবং পরিত্যাগ করবে সর্বোত্তম সৃষ্টিকর্তা আল্লাহকে!" মেক্সিকোয় একজন বিচারক এক নারী, শিশু, মানব পাচারকারীর বিচার করছিলেন। একজন গুপ্তঘাতক তাকে গুলি করে। জানা যায় যে, শুটার আমেরিকান। এর আগে কেসের দায়িত্বে থাকা Mexican Intelligence Community এর অফিসার ও তার পার্টনারকে ০৪ বার গুপ্তহত্যার চেষ্টা চালানো হয়। তার পার্টনার সেসময় ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ০২ জন মার্কিন ইন্টেলিজেন্স অপারেটিভকে হত্যা এবং ০৫ জনকে আহত করেন। এই দু'জন মেক্সিকান ইন্টেলিজেন্স অফিসারকে তখন মেক্সিকোর ইঊ.এস দূতাবাসের ডিপ্লোম্যাটিক প্লেট ...
 ডক্টর আফিয়া সিদ্দিকীকে পাকিস্তান সরকার ৫৫,০০০ মার্কিন ডলারের বিনিময়ে United States Intelligence Community (USIC) এর কাছে বিক্রি করেছিল Inter Services Intelligence (ISI)। জানিয়েছেন ডক্টর আফিয়া সিদ্দিকীর আইনজীবী। পাকিস্তানি ইন্টেলিজেন্স কমিঊনিটির জন্য অর্থের লোভে নিরপরাধ পাকিস্তানি নাগরিকদের বন্দি করে বিক্রি করা অবশ্য মোটেও অস্বাভাবিক কিছু না। ISI এর অফিসারদের CIA এর কাছে মানুষ বিক্রি করার এই স্বভাব এতখানি ভয়ানক পৈশাচিক পর্যায়ে গিয়ে দাঁড়িয়েছিল যে, খোদ CIA একটা সময়ে ইসলামাবাদকে জানায় যে, এভাবে আর কাউকে বন্দি করা হলে আমরা অর্থ পরিশোধ করতে পারব না। এখন থেকে তোমাদের কাছে কেউ থাকলে তোমরা কোনো বিনিময় ছাড়া তাঁকে আমাদের হাতে তুলে দিবে। কারণ, CIA দেখছিল যে, পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদী আখ্যা দিয়ে ওদের হাতে যাদেরকে তুলে দিচ্ছে, তাঁদের বড় একাংশ একেবারেই সাধারণ মানুষ। ফলে, CIA বুঝতে পারে যে, ISI অফিসাররা মূলত আমেরিকানদের পরিশোধিত টাকার লোভে পড়ে সাধারণ মানুষকে ধরে এনে ওদের হাতে উঠিয়ে দিচ্ছে। ওদের ধোঁকা দিয়ে সোজা কথায় পুরোপুরি নিরীহ, অসহায় মানুষদের নির্যাতন করিয়ে Scam করছে। ফলে, আমেরিকানরা পাকিস্তানিদ...