United Nations Designated Terrorist Organization Al-Qaeda General Command জানুয়ারিতে সতর্কবার্তা জারি করেছিল যে, U.S. Central Command ও Israel Defense Forces ইরান এবং আফগানিস্তানে একত্রে হামলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। যে সতর্কবার্তার সারমর্ম ছিল, আফগানিস্তান ও ইরান একইসাথে সামরিক হামলার শিকার হতে চলেছে।
General Command, Al-Qaeda তখন পৃথিবীব্যপী মুসলিমদের এই দু'টি রাষ্ট্রের সাহায্যে এগিয়ে আসতে সকলের নিকট আহ্বান জানায়। বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ, Donald J. Trump ও Benjamin Netanyahu এর পরিকল্পনা হলো, ইরানে Regime Change তৎপরতা পরিচালনা করা। যা কিছুক্ষণ পূর্বে স্বয়ং মার্কিন রাষ্ট্রপতির জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে পরিষ্কার হয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে এখানে আফগানিস্তানকে শান্তিতে থাকতে দেওয়া হলে ইরানে তেল আবিবের তৎপরতা পরিচালনা অনেকখানি কঠিন হয়ে পড়তো। কারণ, ইরানের বর্তমান সরকারের সাথে কাবুলের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং সঙ্গত কারণেই মার্কিনী ও ইসরায়েল সমর্থিত একটি সরকার আফগানিস্তান সীমান্তের ঠিক পাশে জেঁকে বসলে তা আফগানিস্তানের জাতীয় স্বার্থের জন্য হুমকি।
Al-Qaeda এর সাথে আফগানিস্তানের General Directorate of Intelligence (GDI) এর চরম ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ পেয়ে থাকি আমরা। সুনির্দিষ্টভাবে বললে, তাজমির জাওয়াদ, Deputy Director for Special Programs, General Directorate of Intelligence আফগানিস্তান হতে Al-Qaeda এর তৎপরতার পৃষ্ঠপোষকতা করছে ও তাদেরকে আফগানিস্তানের External Intelligence Service এর আকারে ব্যবহার করছে। পাশাপাশি একই সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ ইরানেও দীর্ঘদিন অবস্থান করে আসছে।
ফলে, ইরানে হামলার সময়ে আফগানিস্তানকে রেখে দেওয়া হলে ইরানে Regime Change ঘোরতর গৃহযুদ্ধে রূপান্তর নিতে পারে। যার ফলে ইরান ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে মার্কিনীদের ব্যাপক দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে হতে পারে। অথবা সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যের নিয়ন্ত্রণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাত হতে ছুটে যেতে পারে। কারণ, U.S. Department of War এর সামনে এখন একদিকে রাশিয়া ও অপরদিকে Indo-Pacific এর চীন দণ্ডায়মান। এমতাবস্থায় আমেরিকা এখানে আরেকটি ইরাক বা আফগানিস্তানের মতো লম্বা লড়াইয়ে জড়ানোর সামর্থ্য রাখে না।
সুতরাং, একইসাথে আফগানিস্তানের উত্থান ও ইরানের হম্বি-তম্বি দমন করার জন্য আমেরিকা সহজ সমাধান বাছাই করেছে। যার ফলে দৃশ্যপটে আগমন করেছে Pakistan Army। এই বাহিনীর হাতে আফগানিস্তানকে নিজের পিঠ বাঁচাবার কাজে ব্যস্ত করবার দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়েছে। এরপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এসেছে ইরানে। এটি হলো Strategic Picture। এরপর অপারেশনাল পর্যায়ে পাকিস্তানের অভ্যন্তরের বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী ইত্যাদি রয়েছে। যা উৎসাহ হিসাবে কাজে এসেছে। তবে, সেটি আলাদা প্রসঙ্গ।
Comments
Post a Comment