ইণ্ডিয়ান ইন্টেলিজেন্স কমিঊনিটি বাংলাদেশকে লক্ষ্যবস্তু করে শক্তিশালী Cognitive Warfare পরিচালনা করছে। এর একাংশ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে চলছে। যার লক্ষ্যবস্তু বাংলাদেশের মানুষের মাঝে হীনমন্যতা ও ভীতি সঞ্চার করা। আর, বাংলাদেশের জনতাকে দেশের দেশপ্রেমিক শক্তিকে ঘৃণা করতে শেখানো।
আর, অপারেশনের মূল অংশ চলছে ইণ্ডিয়ার ভেতরে। মাত্র কিছুক্ষণ আগে The Times of India, NDTV এর মতো বড় নিঊজ আঊটলেট যেমন খবর ছেপেছে যে,
"Hindu Businessman Hacked To Death In Bangladesh, 3 Days Before Polls"
এটা NDTV এর শিরোনাম। যেখানে শিরোনামের নিচে ওরা আর যুক্ত করেছে,
"The incident took place in the Mymensingh district of Bangladesh, where another Hindu man, Dipu Chandra Das, was also lynched and burnt."
ওদিকে Times of India এর শিরোনাম হলো,
"Hindu trader killed in Bangladesh: Susen Chandra Sarkar hacked to death inside shop in Mymensingh"
Telegraph India এর শিরোনাম,
"Three days before polls, 62-year-old Hindu trader hacked to death inside his shop in Bangladesh"
ওরা নিচে আরো সংযুক্ত করেছে,
"The Hindu population in Bangladesh has been affected by a series of incidents after the killing of radical youth leader Sharif Osman Hadi in December"
এখানে সমস্ত শিরোনাম দেখুন, নিহতের হিন্দু পরিচয় তথা ধর্মীয় পরিচয়কে ইণ্ডিয়ার পাঠকদের মাঝে ওরা বড় করে তুলে ধরেছে। একে বলা হয় Strategic Communication (STRATCOM)। এর মাধ্যমে ওরা ইণ্ডিয়ার জনগণকে বোঝাচ্ছে যে, দেখো! বাংলাদেশে হিন্দু পরিচয়ের কারণে কিভাবে মুসলিমরা, মুসলিম বাঙালিরা মানুষকে হত্যা করছে। সুতরাং, তোমরা ক্ষিপ্ত হও! Telegraph India এই ক্ষিপ্ত হওয়াকে, এখান গড়ে ওঠা ক্ষোভের ভবিষ্যৎ সম্ভাব্য বিস্ফোরণকে আবার বৈধতা দিতে যেখানে বিষয়টিকে দেখিয়েছে মুসলিম বাঙালিদের প্রতিশোধমূলক তৎপরতা হিসাবে।
"Hindu population in Bangladesh has been affected" লিখেছে ওরা। "by a series of incidents after the killing of radical youth leader Sharif Osman Hadi in December।" ওরা ওদের পাঠকদের বলছে যে, শরীফ ওসমান হাদী ভাই ছিলেন উগ্রবাদী তরুণ নেতা। যিনি হত্যার শিকার হওয়ার পর আমরা, মুসলিম বাঙালিরা আমাদের দেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বী নাগরিকদের ওপর ঝাপিয়ে পড়েছি প্রতিশোধস্পৃহা থেকে।
অথচ, আমরা স্বয়ং Times of India এর রিপোর্টের খানিকটা ভেতরে গেলেই দেখতে পারি যে, আসলে ঘটনাটি খুব সম্ভবত ডাকাতির মতো কোনো বিষয় ছিল। তদন্ত করলে যা নিয়ে আরো বিস্তারিত তথ্য জানা যেতে পারে।
বিষয়টা তেমন কিছু মনে না হতে পারে। কিন্তু, এটা কিন্তু চরম আশঙ্কাজনক কর্মকাণ্ড যেটা ওরা চালাচ্ছে। ইণ্ডিয়ার এই STRATCOM তৎপরতা হতে অনুমান করা যায় যে, ইণ্ডিয়ান ইন্টেলিজেন্স ও আর্মড ফোর্সেসের দ্বারা চালু হওয়া পদক্ষেপটি কোনো Synchronized Approach এর অংশ। যেখানে ওরা সুনির্দিষ্ট কোনো কৌশলগত লক্ষ্যবস্তু সামনে রেখে আলোচ্য অপারেশন পরিচালনা করছে। যার চূড়ান্ত গন্তব্য হয়তো আগ্রাসন, গণহত্যার মতো কোনো বিষয়ে গিয়ে রূপ নিতে পারে।
ধন্যবাদ।
Comments
Post a Comment